বিএনপির যুগ্মমহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, আমরা বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে আছি। তাঁর মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বো না। বুধবার (৩ জুলাই) দুপুরে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহরের শফিমিয়ার বাজার মোড়ে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে।
এসময় প্রিন্স বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতির একটি উজ্জল নক্ষত্র। তাকে স্বৈরাচারী শক্তি ভয় পায়। তার প্রমান আপনারা দেখেছেন। শহীদ জিয়াউর রহমান হত্যাকান্ডের পর জনগণের ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি রাজপথে নেমে এসেছিলেন। তিনি স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিলেন, গণতন্ত্রকে মুক্ত করেছিলেন। তারপর এদেশের জনগণ তাকে প্রতিদান হিসেবে পর পর তিনবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছিলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশের জন্য কাজ করেছেন। এদেশে গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠা করেছেন। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে কাজ করেছেন। তার যদি ফিরিস্তি দিতে যায় দিনের পর দিন এবং রাতের পর রাত চলে যাবে কিন্তু তার ফিরিস্তি দেয়া শেষ হবে না।
তিনি আরও বলেন, কেন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে? কেন তিনি বিভিন্ন স্বপ্নের ভেরাজালে আজ গৃহবন্দী। কেন উন্নত চিকিৎসার পথে সরকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। কেন একটিমাত্র কারন একজন ব্যক্তিই তার জন্য দায়ি তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজকে এ আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বেগম খালেদা জিয়া। কারন খালেদা জিয়া যদি বাইরে থাকতেন তাহলে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে এভাবে লুট করতে পারতেন না। তিনি আগামীদিনে খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে সবাইকে রাজপথে থাকার আহবান জানান।
জামালপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সজীবের সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ওয়ারেছ আলী মামুন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী, এডভোকেট মুন্জুরুল কাদের বাবুল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল, সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান আহাম্মেদ খান লোটন, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মিলন প্রমুখ।
























