১২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তিতুমীর কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘শাটডাউন’ ঘোষণা

রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘কলেজ শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন। সোমবার (১৮ নভেম্বর) রাতে শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা রাষ্ট্রপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় যাচ্ছি। যদি সেখানে পজিটিভ রেজাল্ট না আসে, আমাদের যদি মুলা ঝুলিয়ে বিদায় করে দেয়, আমরা এর চেয়ে বৃহৎ কিছু করব।

তারা বলেন, আমাদের তিতুমীরের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিকেল চারটা পর্যন্ত রাস্তায় ছিল। আগামীকাল আমাদের সঙ্গে বসবে, মুলা ঝুলাক আর যাই করুক, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বসার সিদ্ধান্ত এসেছে। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঠে নামিয়ে দিয়ে জনদুর্ভোগ তৈরি করতে চাচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত এটাই- তিতুমীরের ক্যাম্পাসের গেট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। কোনো পরীক্ষা-ক্লাস হবে না।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, আলোচনায় যদি পজিটিভ রেজাল্ট না আসে, তাহলে শুধু রেলগেট নয়, আমরা আরও এক্সট্রিম হতে বাধ্য হবো। তবে আমরা মঙ্গলবার রাজপথ অবরোধ করছি না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও রাষ্ট্রের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমরা রেলপথ অবরোধ করছি না। আমরা ক্যাম্পাস গেটে অবস্থান করব এবং সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকব। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যদি না আসে, তাহলে আমাদের পূর্বঘোষিত জায়গায় আমরা ফেরত যাবো।

নিজেদের কর্মসূচির ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়েছিল উল্লেখ করে তারা বলেন, আমাদের বেলা ১১টায় কর্মসূচি পালন করার কথা জেনেও তারা ট্রেন ছেড়ে দেয়। মহাখালী পয়েন্টে যখন ট্রেন চলে আসে তখন সেখানে আমাদের চার হাজার শিক্ষার্থী অবস্থান করছিল। ট্রেনের গতি বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে কয়েকজন আশপাশে পড়ে যায়। আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থী ১২ জন আহত হন। আহত হওয়ার কারণে দুই-একজন হয়তো ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এবং ঢিল ছুড়েছে। এ নিয়ে আমরা দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। অনেকেই বলছেন, তিতুমীরের সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় অনেকে আহত হয়েছেন। এখানে কোনো সন্ত্রাসী বাহিনী নেই বলেও জানান তারা।

শীতের রাতে পায়ে মোজা পরে ঘুমানো ভালো নাকি খারাপ, জানুন

তিতুমীর কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘শাটডাউন’ ঘোষণা

আপডেট সময় : ১২:২৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪

রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘কলেজ শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন। সোমবার (১৮ নভেম্বর) রাতে শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা রাষ্ট্রপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় যাচ্ছি। যদি সেখানে পজিটিভ রেজাল্ট না আসে, আমাদের যদি মুলা ঝুলিয়ে বিদায় করে দেয়, আমরা এর চেয়ে বৃহৎ কিছু করব।

তারা বলেন, আমাদের তিতুমীরের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিকেল চারটা পর্যন্ত রাস্তায় ছিল। আগামীকাল আমাদের সঙ্গে বসবে, মুলা ঝুলাক আর যাই করুক, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বসার সিদ্ধান্ত এসেছে। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঠে নামিয়ে দিয়ে জনদুর্ভোগ তৈরি করতে চাচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত এটাই- তিতুমীরের ক্যাম্পাসের গেট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। কোনো পরীক্ষা-ক্লাস হবে না।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, আলোচনায় যদি পজিটিভ রেজাল্ট না আসে, তাহলে শুধু রেলগেট নয়, আমরা আরও এক্সট্রিম হতে বাধ্য হবো। তবে আমরা মঙ্গলবার রাজপথ অবরোধ করছি না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও রাষ্ট্রের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমরা রেলপথ অবরোধ করছি না। আমরা ক্যাম্পাস গেটে অবস্থান করব এবং সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকব। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যদি না আসে, তাহলে আমাদের পূর্বঘোষিত জায়গায় আমরা ফেরত যাবো।

নিজেদের কর্মসূচির ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়েছিল উল্লেখ করে তারা বলেন, আমাদের বেলা ১১টায় কর্মসূচি পালন করার কথা জেনেও তারা ট্রেন ছেড়ে দেয়। মহাখালী পয়েন্টে যখন ট্রেন চলে আসে তখন সেখানে আমাদের চার হাজার শিক্ষার্থী অবস্থান করছিল। ট্রেনের গতি বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে কয়েকজন আশপাশে পড়ে যায়। আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থী ১২ জন আহত হন। আহত হওয়ার কারণে দুই-একজন হয়তো ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এবং ঢিল ছুড়েছে। এ নিয়ে আমরা দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। অনেকেই বলছেন, তিতুমীরের সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় অনেকে আহত হয়েছেন। এখানে কোনো সন্ত্রাসী বাহিনী নেই বলেও জানান তারা।