০৩:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আলো ঝলমলে সংবর্ধনা, নেই বিশেষ কোনো ঘোষণা

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল ইতিহাস গড়ে দেশে ফিরেছে। প্রথম বারের মতো এশিয়ান কাপ ফুটবলের মূল পর্বে খেলবে দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়নরা। মিয়ানমার থেকে ইতিহাস গড়ে দেশে ফেরার দিনই গতকাল (রোববার) গভীর রাতে নারী ফুটবলারদের সংবর্ধনার আয়োজন করেছিল বাফুফে। 

রাত আড়াইটায় হাতিরঝিলের এম্ফিথিয়েটারে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয়েছিল সোয়া তিনটার দিকে। থাইল্যান্ড হয়ে ঋতুপর্ণাদের দেশে ফিরতে ফ্লাইট মিনিট বিশেক বিলম্ব হয়েছিল। ফলে বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে হাতিরঝিলে পৌঁছাতেই বেজে যায় রাত তিনটা।

রাত তিনটা হলেও বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের কীর্তির সন্মাননা জানাতে ছুটে এসেছিলেন অনেক দর্শক ও সমর্থক। সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীও ছিলেন। রাত তিনটায় হাতিরঝিলে শুনশান নিরবতার মধ্যে আলো ঝলমলে পরিবেশে বেশ ভিন্ন রকম আবহ ছিল।

ফুটবলারদের একে একে মঞ্চে ডাকা হয়েছিল। কোয়ালিফাইড লেখা বোর্ডের পেছনে সবাই দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন। ফুটবলারদের মধ্যে থেকে অধিনায়ক আফিদা ও তারকা ফুটবলার ঋতুপর্ণা বক্তব্য রাখেন। পরবর্তীতে কোচ পিটার বাটলার ও বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল সবার সামনে কথা বলেন।

অধিনায়ক আফিদা খন্দকার বলেন, ‘খুবই ভালো লাগছে। এই মুহূর্ত কখনো ভোলার মতো নয়। সকলে আমাদের জন্য দোয়া করবেন আমরা যেন আরও ভালো কিছু করতে পারি। শুধু দক্ষিণ এশিয়া, এশিয়া নয়, আমরা যেন বিশ্বমঞ্চে দেশকে আরও অনেকদূর নিয়ে যেতে পারি।’

ঋতুপর্ণা চাকমা মিয়ানমারের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন। তার জোড়া গোলই মূলত বাংলাদেশ এশিয়ান কাপের মঞ্চে। তিনি বলেন, ‘ফুটবল কোনো ব্যক্তিগত খেলা নয়। আমরা বাংলাদেশের মেয়েরা জানি কীভাবে কঠিন পরিস্থিতিতে লড়াই করতে হয়। আমাদের প্রতি বিশ্বাস রাখবেন। আমরা আপনাদের নিরাশ করব না। শুধু এশিয়া নয়, বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে যেতে চাই আমরা।’

জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

আলো ঝলমলে সংবর্ধনা, নেই বিশেষ কোনো ঘোষণা

আপডেট সময় : ১২:৫০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল ইতিহাস গড়ে দেশে ফিরেছে। প্রথম বারের মতো এশিয়ান কাপ ফুটবলের মূল পর্বে খেলবে দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়নরা। মিয়ানমার থেকে ইতিহাস গড়ে দেশে ফেরার দিনই গতকাল (রোববার) গভীর রাতে নারী ফুটবলারদের সংবর্ধনার আয়োজন করেছিল বাফুফে। 

রাত আড়াইটায় হাতিরঝিলের এম্ফিথিয়েটারে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয়েছিল সোয়া তিনটার দিকে। থাইল্যান্ড হয়ে ঋতুপর্ণাদের দেশে ফিরতে ফ্লাইট মিনিট বিশেক বিলম্ব হয়েছিল। ফলে বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে হাতিরঝিলে পৌঁছাতেই বেজে যায় রাত তিনটা।

রাত তিনটা হলেও বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের কীর্তির সন্মাননা জানাতে ছুটে এসেছিলেন অনেক দর্শক ও সমর্থক। সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীও ছিলেন। রাত তিনটায় হাতিরঝিলে শুনশান নিরবতার মধ্যে আলো ঝলমলে পরিবেশে বেশ ভিন্ন রকম আবহ ছিল।

ফুটবলারদের একে একে মঞ্চে ডাকা হয়েছিল। কোয়ালিফাইড লেখা বোর্ডের পেছনে সবাই দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন। ফুটবলারদের মধ্যে থেকে অধিনায়ক আফিদা ও তারকা ফুটবলার ঋতুপর্ণা বক্তব্য রাখেন। পরবর্তীতে কোচ পিটার বাটলার ও বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল সবার সামনে কথা বলেন।

অধিনায়ক আফিদা খন্দকার বলেন, ‘খুবই ভালো লাগছে। এই মুহূর্ত কখনো ভোলার মতো নয়। সকলে আমাদের জন্য দোয়া করবেন আমরা যেন আরও ভালো কিছু করতে পারি। শুধু দক্ষিণ এশিয়া, এশিয়া নয়, আমরা যেন বিশ্বমঞ্চে দেশকে আরও অনেকদূর নিয়ে যেতে পারি।’

ঋতুপর্ণা চাকমা মিয়ানমারের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন। তার জোড়া গোলই মূলত বাংলাদেশ এশিয়ান কাপের মঞ্চে। তিনি বলেন, ‘ফুটবল কোনো ব্যক্তিগত খেলা নয়। আমরা বাংলাদেশের মেয়েরা জানি কীভাবে কঠিন পরিস্থিতিতে লড়াই করতে হয়। আমাদের প্রতি বিশ্বাস রাখবেন। আমরা আপনাদের নিরাশ করব না। শুধু এশিয়া নয়, বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে যেতে চাই আমরা।’