নাটকীয়তা পেরিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত–পাকিস্তানের বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচ মাঠে গড়ানোর অপেক্ষায়। আজ (রোববার) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এবার চিন্তার কারণ বৃষ্টি। হাইভোল্টেজ এই লড়াই শুরুর সময়েই প্রবল বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে, ফলে নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ শুরু না-ও হতে পারে।
ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। শ্রীলঙ্কার আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৭টার দিকে বৃষ্টির সম্ভাবনা ৭০ শতাংশ। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে প্রায় ৫.১ মিলিমিটার এবং ৭টা ১০ মিনিটের পরও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাস মিললে ম্যাচ বিলম্বিত হওয়া বা ওভার কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি থামার পর মাঠ কত দ্রুত খেলার উপযোগী হবে, সেটির ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্তও ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবু সমর্থকদের উন্মাদনায় ভাটা পড়েনি; কলম্বোগামী বিমানের টিকিট ও হোটেল ভাড়া কয়েক গুণ বেড়েছে।
গতকাল সন্ধ্যায়ও কলম্বোয় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছিল, তবে ততক্ষণে ভারত ও পাকিস্তান নিজেদের অনুশীলন সেরে নেয়। দুই দলই আগের দুই ম্যাচ জিতে ৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে। নেট রানরেটের বিচারে শীর্ষে ভারত, দ্বিতীয় স্থানে পাকিস্তান। আজকের ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হলে উভয় দল ১ পয়েন্ট করে পাবে, যা তাদের সুপার এইট নিশ্চিত করতে পারে। কারণ সমান ২ পয়েন্ট নিয়ে তাদের পেছনে থাকা যুক্তরাষ্ট্র ও নেদারল্যান্ডস গ্রুপপর্ব শেষে সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্টে পৌঁছাতে পারবে।
ম্যাচের জন্য নির্ধারিত সময়ের বাইরে অতিরিক্ত ৬০ মিনিট সংরক্ষিত রয়েছে। আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অত্যাধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও বিশেষ গ্রাউন্ড স্টাফ প্রোটোকল রয়েছে। পুরো মাঠ ঢেকে রাখার মতো কভার থাকায় ভারী বৃষ্টির পরও দ্রুত খেলার উপযোগী করা সম্ভব। গ্রাউন্ড স্টাফরা কভার সরিয়ে পানি সীমানার ড্রেনে ঠেলে দেন, যা অনেক সময় যান্ত্রিক ‘সুপার সপার’ ব্যবস্থার চেয়েও কার্যকর। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ভারী বৃষ্টি থামার ৪৫ থেকে ৬০ মিনিটের মধ্যেই মাঠ প্রস্তুত করা যায়।
শু/সবা


























