9:31 am, Monday, 25 May 2026

জ্বালানি তেলে শুল্ক কমালো ভারত

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই ভারত সরকার অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেট্রল ও ডিজেলের ওপর বড় অঙ্কের শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিয়েছে।

নরেন্দ্র মোদি-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পেট্রল ও ডিজেলের ওপর লিটারপ্রতি ১০ টাকা অন্তঃশুল্ক কমানো হয়েছে। এর ফলে পেট্রলের ওপর শুল্ক ১৩ টাকা থেকে ৩ টাকায়, আর ডিজেলের শুল্ক শূন্যে নেমেছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ গ্রাহকরা সরাসরি কতটা সুবিধা পাবেন তা সীমিত হতে পারে। মূলত দেশটির তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলোর (ওএমসি) আর্থিক ক্ষতি লাঘব করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এতে সরকারের রাজস্ব হ্রাস পাবে।

হরদীপ সিং পুরি জানান, সরকারের সামনে দুটি পথ ছিল—জ্বালানির দাম বাড়ানো বা আর্থিক ক্ষতি মেনে দেশের মানুষকে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে রক্ষা করা। মোদি সরকার দ্বিতীয় পথ বেছে নিয়েছে।

গত বছর শুল্ক বাড়ানো হয়েছিল। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গেলেও ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হয়েছে। এতে বিপণন সংস্থাগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছিল।

ভারতের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশেই পর্যাপ্ত অপরিশোধিত তেল মজুত আছে, যা ৬০ দিনের চাহিদা মেটাতে সক্ষম। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া থেকে গ্যাসবাহী জাহাজ আসছে, যা আগামী এক মাসের গ্যাসের চাহিদা পূরণ করবে।

বিশ্ববাজারে উত্তেজনার মধ্যেও ভারতীয় বাজারে পেট্রল ও ডিজেলের দাম আপাতত স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

শু/সবা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

three + nineteen =

About Author Information

Popular Post

রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি ১ জুন

জ্বালানি তেলে শুল্ক কমালো ভারত

Update Time : ০৪:৫২:২৩ pm, Friday, ২৭ মার্চ ২০২৬

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই ভারত সরকার অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেট্রল ও ডিজেলের ওপর বড় অঙ্কের শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিয়েছে।

নরেন্দ্র মোদি-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পেট্রল ও ডিজেলের ওপর লিটারপ্রতি ১০ টাকা অন্তঃশুল্ক কমানো হয়েছে। এর ফলে পেট্রলের ওপর শুল্ক ১৩ টাকা থেকে ৩ টাকায়, আর ডিজেলের শুল্ক শূন্যে নেমেছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ গ্রাহকরা সরাসরি কতটা সুবিধা পাবেন তা সীমিত হতে পারে। মূলত দেশটির তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলোর (ওএমসি) আর্থিক ক্ষতি লাঘব করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এতে সরকারের রাজস্ব হ্রাস পাবে।

হরদীপ সিং পুরি জানান, সরকারের সামনে দুটি পথ ছিল—জ্বালানির দাম বাড়ানো বা আর্থিক ক্ষতি মেনে দেশের মানুষকে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে রক্ষা করা। মোদি সরকার দ্বিতীয় পথ বেছে নিয়েছে।

গত বছর শুল্ক বাড়ানো হয়েছিল। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গেলেও ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হয়েছে। এতে বিপণন সংস্থাগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছিল।

ভারতের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশেই পর্যাপ্ত অপরিশোধিত তেল মজুত আছে, যা ৬০ দিনের চাহিদা মেটাতে সক্ষম। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া থেকে গ্যাসবাহী জাহাজ আসছে, যা আগামী এক মাসের গ্যাসের চাহিদা পূরণ করবে।

বিশ্ববাজারে উত্তেজনার মধ্যেও ভারতীয় বাজারে পেট্রল ও ডিজেলের দাম আপাতত স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

শু/সবা