12:38 am, Friday, 5 June 2026

কোনো পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি আর চলবে না, বাজেট হবে জনবান্ধব

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ভবিষ্যতের বাজেট শুধুমাত্র জনগণের কল্যাণে প্রস্তুত হবে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে খুশি করার জন্য নয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, বিগত আমলে ঋণ নেওয়া হলেও তা কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে ব্যয় হয়নি, ফলে বর্তমান সরকারের ওপর বিশাল ঋণের বোঝা পড়েছে।

শুক্রবার প্রথমবার নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম সফরে এসে তিনি বলেন, বাজেট হবে জনবান্ধব এবং সাধারণ মানুষ যেন সুবিধা পায়, সেটি নিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রী চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে নেতাকর্মীদের স্বাগত গ্রহণের পর পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শেয়ারবাজারের পরিস্থিতি নিয়েও সরকারের পরিকল্পনা আছে, যা বাস্তবায়িত হলে দেশি ও বিদেশী বিনিয়োগ বাড়বে এবং আস্থা ফিরে আসবে।

কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো কর্মসংস্থান। এটি সৃষ্টি করতে হলে উৎপাদন ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম উন্নত করতে হবে এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে চট্টগ্রামকে সত্যিকারের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম চট্টগ্রাম সফরের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে মন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশে নির্বাচিত সংসদ ও সরকারের সঙ্গে দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

শু/সবা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

5 × 1 =

আগের দামেই ফিরল নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম

কোনো পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি আর চলবে না, বাজেট হবে জনবান্ধব

Update Time : ০৭:০৫:৪৩ pm, Friday, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ভবিষ্যতের বাজেট শুধুমাত্র জনগণের কল্যাণে প্রস্তুত হবে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে খুশি করার জন্য নয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, বিগত আমলে ঋণ নেওয়া হলেও তা কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে ব্যয় হয়নি, ফলে বর্তমান সরকারের ওপর বিশাল ঋণের বোঝা পড়েছে।

শুক্রবার প্রথমবার নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম সফরে এসে তিনি বলেন, বাজেট হবে জনবান্ধব এবং সাধারণ মানুষ যেন সুবিধা পায়, সেটি নিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রী চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে নেতাকর্মীদের স্বাগত গ্রহণের পর পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শেয়ারবাজারের পরিস্থিতি নিয়েও সরকারের পরিকল্পনা আছে, যা বাস্তবায়িত হলে দেশি ও বিদেশী বিনিয়োগ বাড়বে এবং আস্থা ফিরে আসবে।

কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো কর্মসংস্থান। এটি সৃষ্টি করতে হলে উৎপাদন ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম উন্নত করতে হবে এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে চট্টগ্রামকে সত্যিকারের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম চট্টগ্রাম সফরের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে মন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশে নির্বাচিত সংসদ ও সরকারের সঙ্গে দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

শু/সবা