দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের মৌমারিজপুর গ্রামের ২ নং ওয়ার্ডে মুকিম আলী ব্যাপারী বাড়ীতে সত্তর বয়সী জাকিয়া খাতুন নামে এক বৃদ্ধাকে নিয়মিত নির্যাতন করে যাচ্ছে একি বাড়ীর আবুল খায়েরের ছেলে মেয়েরা। তারা সন্ত্রাসী কায়দায় নানান ভাবে এ বৃদ্ধাকে নির্যাতন করে আসছে বহুদিন থেকে। মুলত সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার জন্যই তারা বৃদ্ধা জাকিয়া খাতুনকে নিয়মিত নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। কারন জাকিয়া খাতুনের কোন ছেলেমেয়ে নেই। পালিত একটি ছেলে নিয়ে স্বামীর বসত ভিটায় থাকে চান তিনি। কিন্তু জাকিয়ার দেবর আবুল খায়ের ও তার ছেলে মেয়েরা তাহা মেনে নেয় না। নিঃসন্তান এ বৃদ্ধাকে বাড়ী থেকে উচ্ছেেদ করার পরিকল্পনায় বিভিন্ন উপায়ে নির্যাতন করে যাচ্ছে স্বামী পরিতেক্তা রাশেদা ও খালেদা। জাকিয়া খাতুনের পক্ষে বাড়ীর লোকজন এ নির্যাতনের প্রতিবাদ করতে আসলে তাদেরকেও মারধর করে এবং মামলার ভয় দেখায়। ফলে জাকিয়া খাতুন আরো অসহায হয়ে পড়ে। এ সব ঘটনায় বাড়ীতে, এলাকায় একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। কিন্ত আবুল খায়ের এবং তার সন্ত্রাসী ছেলেমেয়েরা বাড়ীর মানুষ এবং সমাজের কারো কথা শুনেনা। যে কারনে তাদেরকে সমাজচ্যুত করতে বাদ্য হয়েছেন সমাজপতিরা।
বাড়ীর প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, উক্ত বাড়ীর মৃত আবুল কালামের স্ত্রী জাকিয়া খাতুন। তিনি নিঃসন্তান। আনোয়ার হোসেন নামে একটি ছেলেকে লালন পালন করেছেন। আবুল কালামের দ্বিতীয় ভাই আবুল খায়ের ও তার স্ত্রী হালিমা,ছেলে আবু সুফিয়ান,মেয়ে রাশেদা ও খালেদা তারা সবাই সন্ত্রাসী কায়দায় বাড়ীতে বসবাস করছেন। জাকিয়া খাতুনকে বাড়ী থেকে উচ্ছেদ করার পরিকল্পনায় তার উপর নির্যাতন চালায়। তাদের ভয়ে জাকিয়া খাতুন তার নিজ ঘরে থাকতে না পেরে বাড়ীর অন্য একটি ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন। ছেলে আনোয়ার হোসেন রাজুর স্ত্রীও সন্ত্রাসীদের ভয়ে বাড়ী থেকে অন্যত্র বসবাস করতে বাদ্য হয়েছেন। দাগনভূঞা থানায় উক্ত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েও এ-র কোন সমাধান হয়নি। উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে বাড়ীর নিরপরাধ লোকজন কে হয়রানী করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন বাড়ীর লোকজন। বাড়ীর একজন হচ্ছেন মাষ্টার আবদুল আলী তিনি জানান, আবুল খায়ের এবং তার ছেলেমেয়েরা কারো কথা শুনে না,শালিশও মানেনা,বাড়ীতে সবসময় বিশৃঙ্খল সৃষ্টি করে আসছে। যে কারনে তাদের সমস্যাও শেষ হচ্ছে না। এলাকার বিএনপি নেতা বদরুল আলম জানান,আবুল খায়েরের ছেলে মেয়েরা জাকিয়া খাতুনের উপর যে সব অন্যায় করছে তা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। তবে তিনি আশ্বাস দেন বিষয়টি তিনি নিষ্পত্তি করে দিবেন।
এসএস/সবা






















