০৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, এখন পর্যন্ত যা যা ঘটেছে

ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে শনিবার মধ্যরাতে সামরিক স্থাপনাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে, প্রায় একই সাথে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত লা কার্লোটা সামরিক বিমানঘাঁটি এবং ফুয়ের্তে তিউনার প্রধান সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায় প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে। বেশ কিছু এলাকা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে এবং শহরের উপর দিয়ে বিমান উড়ে যাওয়ার অসমর্থিত খবরও পাওয়া যায়।

এই হামলার পরই ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা জারি করে দেশটির সরকার। নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিও দেওয়া হয়।

“ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সরকারের অত্যন্ত গুরুতর ‘সামরিক আগ্রাসন’কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে প্রত্যাখ্যান, এবং নিন্দা জানাচ্ছে,” বিবৃতিতে বলা হয়।

এদিকে, মার্কিন কর্মকর্তারা সিবিএস নিউজকে নিশ্চিত করেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

শনিবার ভোরে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের উপর বিস্ফোরণ এবং বিমান হামলার খবর সম্পর্কে অবগত আছেন ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারাও।

ক্যারিবীয় অঞ্চলে মাদক বহনকারী নৌযানগুলোর উপর ওয়াশিংটনের সামরিক হামলা অব্যাহত থাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই এই ঘটনা ঘটল।

যুক্তরাষ্ট্র অনেকদিন ধরেই বলে আসছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো অবৈধভাবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং তিনি ব্যক্তিগতভাবে দেশজুড়ে মাদক পাচারের সাথে জড়িত।

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ এবং ভেনেজুয়েলার তেলের মজুদ নিয়ন্ত্রণ করতেই যুক্তরাষ্ট্র এমন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দাবি করে আসছে ভেনেজুয়েলা সরকার।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে খালেদা জিয়ার অস্তিত্ব ধারণ করতে হবে: আসিফ নজরুল

ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, এখন পর্যন্ত যা যা ঘটেছে

আপডেট সময় : ০৫:১২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে শনিবার মধ্যরাতে সামরিক স্থাপনাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে, প্রায় একই সাথে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত লা কার্লোটা সামরিক বিমানঘাঁটি এবং ফুয়ের্তে তিউনার প্রধান সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায় প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে। বেশ কিছু এলাকা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে এবং শহরের উপর দিয়ে বিমান উড়ে যাওয়ার অসমর্থিত খবরও পাওয়া যায়।

এই হামলার পরই ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা জারি করে দেশটির সরকার। নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিও দেওয়া হয়।

“ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সরকারের অত্যন্ত গুরুতর ‘সামরিক আগ্রাসন’কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে প্রত্যাখ্যান, এবং নিন্দা জানাচ্ছে,” বিবৃতিতে বলা হয়।

এদিকে, মার্কিন কর্মকর্তারা সিবিএস নিউজকে নিশ্চিত করেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

শনিবার ভোরে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের উপর বিস্ফোরণ এবং বিমান হামলার খবর সম্পর্কে অবগত আছেন ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারাও।

ক্যারিবীয় অঞ্চলে মাদক বহনকারী নৌযানগুলোর উপর ওয়াশিংটনের সামরিক হামলা অব্যাহত থাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই এই ঘটনা ঘটল।

যুক্তরাষ্ট্র অনেকদিন ধরেই বলে আসছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো অবৈধভাবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং তিনি ব্যক্তিগতভাবে দেশজুড়ে মাদক পাচারের সাথে জড়িত।

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ এবং ভেনেজুয়েলার তেলের মজুদ নিয়ন্ত্রণ করতেই যুক্তরাষ্ট্র এমন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দাবি করে আসছে ভেনেজুয়েলা সরকার।

এমআর/সবা