০৩:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ২১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ ও স্কিল-নলেজ সমন্বয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের

আঞ্চলিক ইনোভেশন হাব গড়ে তোলা, ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার সম্পর্ক জোরদার এবং নলেজ, স্কিল ও ইনোভেশনের সমন্বয়ে দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল।
আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ স্কিলস সামিট ২০২৬-এ স্পিকার হিসেবে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ঢাকসু) ও থ্রাইভিং স্কিলস এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সামিটের প্রতিপাদ্য ছিল ‘কালট্রিভিউটিং প্রোগ্রেস থ্রু এন্ড স্কিল বেইজড ইকোনমি’।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল তাঁর বক্তব্যে বলেন, দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশে আঞ্চলিক ইনোভেশন হাব প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত জরুরি। এসব ইনোভেশন হাব স্থানীয় সমস্যা সমাধান, গবেষণা, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের কেন্দ্র  হিসেবে কাজ করবে এবং অঞ্চলভিত্তিক সম্ভাবনাকে জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করবে। তিনি আরও বলেন, ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার মধ্যে কার্যকর ও প্রায়োগিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের পাঠ্যক্রম নিয়মিত হালনাগাদ করা প্রয়োজন, যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি কর্মবাজারে নিজেদের উপযোগী করে গড়ে তুলতে পারে।
নোবিপ্রবি উপাচার্য আরও উল্লেখ করেন, নলেজ, স্কিল ও ইনোভেশনের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমেই দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক গ্র্যাজুয়েট তৈরি করা সম্ভব। তাত্ত্বিক জ্ঞানের সঙ্গে ব্যবহারিক দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার সমন্বয় ঘটাতে পারলেই উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা দেশের টেকসই উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।
বাংলাদেশ স্কিলস সামিট ২০২৬-এ সরকার, শিল্পখাত, একাডেমিয়া ও সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিসহ পাঁচ শতাধিক অংশগ্রহণকারী অংশ নেন। সামিটে নীতিনির্ধারণী আলোচনা, মাস্টারক্লাস ও কর্মশালার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ ন্যাশনাল স্কিলস ডেভেলপমেন্ট অ্যাকশন প্ল্যান প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
সামিটে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিরা বক্তা হিসেবে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর নিয়াজ আহমেদ খান, পিএইচডি (সেশন চেয়ার), নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর আবদুল হান্নান চৌধুরী, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ এ. সোবহানী, আইইউবিএটি-এর উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুর রব, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান (মডারেটর), সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি বাংলাদেশ পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এ এস এম খায়রুজ্জামান, রাহিমআফরোজ বাংলাদেশ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব নিয়াজ রহিম, ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ওমর ফারুক খান, লঙ্কা বাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব হুমায়েরা আজম  ও কোয়াটস বাংলাদেশ, পাকিস্তান এন্ড শ্রীলঙ্কা এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব মোহাম্মদ আল-কাশেম।
শু/সবা
জনপ্রিয় সংবাদ

লিটন দাসের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ ও স্কিল-নলেজ সমন্বয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের

আপডেট সময় : ০৬:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
আঞ্চলিক ইনোভেশন হাব গড়ে তোলা, ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার সম্পর্ক জোরদার এবং নলেজ, স্কিল ও ইনোভেশনের সমন্বয়ে দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল।
আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ স্কিলস সামিট ২০২৬-এ স্পিকার হিসেবে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ঢাকসু) ও থ্রাইভিং স্কিলস এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সামিটের প্রতিপাদ্য ছিল ‘কালট্রিভিউটিং প্রোগ্রেস থ্রু এন্ড স্কিল বেইজড ইকোনমি’।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল তাঁর বক্তব্যে বলেন, দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশে আঞ্চলিক ইনোভেশন হাব প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত জরুরি। এসব ইনোভেশন হাব স্থানীয় সমস্যা সমাধান, গবেষণা, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের কেন্দ্র  হিসেবে কাজ করবে এবং অঞ্চলভিত্তিক সম্ভাবনাকে জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করবে। তিনি আরও বলেন, ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার মধ্যে কার্যকর ও প্রায়োগিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের পাঠ্যক্রম নিয়মিত হালনাগাদ করা প্রয়োজন, যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি কর্মবাজারে নিজেদের উপযোগী করে গড়ে তুলতে পারে।
নোবিপ্রবি উপাচার্য আরও উল্লেখ করেন, নলেজ, স্কিল ও ইনোভেশনের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমেই দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক গ্র্যাজুয়েট তৈরি করা সম্ভব। তাত্ত্বিক জ্ঞানের সঙ্গে ব্যবহারিক দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার সমন্বয় ঘটাতে পারলেই উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা দেশের টেকসই উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।
বাংলাদেশ স্কিলস সামিট ২০২৬-এ সরকার, শিল্পখাত, একাডেমিয়া ও সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিসহ পাঁচ শতাধিক অংশগ্রহণকারী অংশ নেন। সামিটে নীতিনির্ধারণী আলোচনা, মাস্টারক্লাস ও কর্মশালার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ ন্যাশনাল স্কিলস ডেভেলপমেন্ট অ্যাকশন প্ল্যান প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
সামিটে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিরা বক্তা হিসেবে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর নিয়াজ আহমেদ খান, পিএইচডি (সেশন চেয়ার), নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর আবদুল হান্নান চৌধুরী, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ এ. সোবহানী, আইইউবিএটি-এর উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুর রব, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান (মডারেটর), সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি বাংলাদেশ পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এ এস এম খায়রুজ্জামান, রাহিমআফরোজ বাংলাদেশ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব নিয়াজ রহিম, ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ওমর ফারুক খান, লঙ্কা বাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব হুমায়েরা আজম  ও কোয়াটস বাংলাদেশ, পাকিস্তান এন্ড শ্রীলঙ্কা এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব মোহাম্মদ আল-কাশেম।
শু/সবা