১১:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে চলছে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান

সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সন্ত্রাসবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে প্রায় সাড়ে তিন হাজার সদস্য নিয়ে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযানে অংশ নিয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) ফজরের নামাজের পর জঙ্গল সলিমপুরের বিভিন্ন প্রবেশমুখ দিয়ে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় প্রবেশ করেন এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসী আস্তানাগুলো ঘিরে ফেলেন।

অভিযানে প্রায় ৫৫০ জন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদস্য, ১ হাজার ৮০০ জন বাংলাদেশ পুলিশ, ৩৩০ জন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, ৪০০ জন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, ১২০ জন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, ১৫টি এপিসি, তিনটি ডগ স্কোয়াড এবং তিনটি হেলিকপ্টার অংশ নিয়েছে।

প্রায় দুই যুগ ধরে জঙ্গল সলিমপুর সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত। ২০১৭ ও ২০২২ সালেও প্রশাসন এখানে অভিযান পরিচালনার চেষ্টা করলেও বিভিন্ন কারণে তা সফল হয়নি বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি এই এলাকায় অভিযান চালাতে গিয়ে র‍্যাবের এক কর্মকর্তা নিহত এবং তিনজন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির রহস্য উদঘাটনে জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানার তথ্য উঠে আসে।

গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে সমন্বিত এ যৌথ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে গোয়েন্দা সংস্থার মাঠ পর্যায়ের তথ্য, পরিকল্পনা ও সরাসরি সহায়তার পাশাপাশি ইউএভি (ড্রোন) থেকে প্রাপ্ত ফুটেজ ব্যবহার করা হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের আস্তানা উচ্ছেদে এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শু/সবা

বাকৃবি শিক্ষক সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে চলছে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান

আপডেট সময় : ০৮:২৬:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সন্ত্রাসবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে প্রায় সাড়ে তিন হাজার সদস্য নিয়ে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযানে অংশ নিয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) ফজরের নামাজের পর জঙ্গল সলিমপুরের বিভিন্ন প্রবেশমুখ দিয়ে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় প্রবেশ করেন এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসী আস্তানাগুলো ঘিরে ফেলেন।

অভিযানে প্রায় ৫৫০ জন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদস্য, ১ হাজার ৮০০ জন বাংলাদেশ পুলিশ, ৩৩০ জন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, ৪০০ জন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, ১২০ জন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, ১৫টি এপিসি, তিনটি ডগ স্কোয়াড এবং তিনটি হেলিকপ্টার অংশ নিয়েছে।

প্রায় দুই যুগ ধরে জঙ্গল সলিমপুর সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত। ২০১৭ ও ২০২২ সালেও প্রশাসন এখানে অভিযান পরিচালনার চেষ্টা করলেও বিভিন্ন কারণে তা সফল হয়নি বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি এই এলাকায় অভিযান চালাতে গিয়ে র‍্যাবের এক কর্মকর্তা নিহত এবং তিনজন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির রহস্য উদঘাটনে জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানার তথ্য উঠে আসে।

গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে সমন্বিত এ যৌথ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে গোয়েন্দা সংস্থার মাঠ পর্যায়ের তথ্য, পরিকল্পনা ও সরাসরি সহায়তার পাশাপাশি ইউএভি (ড্রোন) থেকে প্রাপ্ত ফুটেজ ব্যবহার করা হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের আস্তানা উচ্ছেদে এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শু/সবা