রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম উপসর্গে এক শিশুর মৃত্যু » দৈনিক সবুজ বাংলা
০৬:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম উপসর্গে এক শিশুর মৃত্যু

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রমেক) হামের উপসর্গ নিয়ে তানজিদ নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশুটির বয়স সাত মাস। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে তার মৃত্যু হয়। তানজিদ লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের আনন্দবাজার এলাকার রিয়াজুল ইসলামের ছেলে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ঈদের পর শিশুটি জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হলে প্রথমে তাকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কয়েক দফা চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে শরীরে র‌্যাশ দেখা দিলে হাম সন্দেহে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

শিশুটির মা অভিযোগ করে বলেন, চিকিৎসার সময় নার্স ও ওয়ার্ড বয়ের অসহযোগিতার কারণে তারা ভোগান্তিতে পড়েছেন। এ বিষয়ে শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আয়েশা সুলতানা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে নার্স ইনচার্জ ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে নতুন করে ডিউটি রোস্টার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে রমেকে ২২ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৭ জন এবং একই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪ জন শিশু। ভর্তি শিশুদের অধিকাংশের বয়স ৫ থেকে ১০ মাসের মধ্যে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ মার্চ থেকে রমেকে হামের উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তি শুরু হয়। রোগীর সংখ্যা বাড়ায় শিশু ওয়ার্ডের পাশে “হাম কর্নার” চালু করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৭৭ জন শিশু সেখানে চিকিৎসা নিয়েছে।

শু/সবা
জনপ্রিয় সংবাদ

আরশদীপ–সামরিন প্রেমের গুঞ্জনে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম উপসর্গে এক শিশুর মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৫:১০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রমেক) হামের উপসর্গ নিয়ে তানজিদ নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশুটির বয়স সাত মাস। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে তার মৃত্যু হয়। তানজিদ লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের আনন্দবাজার এলাকার রিয়াজুল ইসলামের ছেলে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ঈদের পর শিশুটি জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হলে প্রথমে তাকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কয়েক দফা চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে শরীরে র‌্যাশ দেখা দিলে হাম সন্দেহে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

শিশুটির মা অভিযোগ করে বলেন, চিকিৎসার সময় নার্স ও ওয়ার্ড বয়ের অসহযোগিতার কারণে তারা ভোগান্তিতে পড়েছেন। এ বিষয়ে শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আয়েশা সুলতানা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে নার্স ইনচার্জ ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে নতুন করে ডিউটি রোস্টার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে রমেকে ২২ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৭ জন এবং একই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪ জন শিশু। ভর্তি শিশুদের অধিকাংশের বয়স ৫ থেকে ১০ মাসের মধ্যে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ মার্চ থেকে রমেকে হামের উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তি শুরু হয়। রোগীর সংখ্যা বাড়ায় শিশু ওয়ার্ডের পাশে “হাম কর্নার” চালু করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৭৭ জন শিশু সেখানে চিকিৎসা নিয়েছে।

শু/সবা