যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েলের ইরান হামলার পর তেহরানের বিরুদ্ধে সমন্বিত হামলা চালাতে অন্যান্য আরব দেশগুলোকে উৎসাহ দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে বেশিরভাগ আরব দেশ সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বিষয়ে বিভিন্ন আরব নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানও সেই আলোচনায় ছিলেন।
ব্লুমবার্গের দাবি, আরব দেশগুলো প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাদের সঙ্গে আমিরাতের দূরত্ব তৈরি হয়। এর প্রভাব ওপেক ও ওপেক প্লাস জোট থেকে আমিরাতের বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তেও পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত মার্চে ইরানে সরাসরি হামলা চালিয়েছিল সৌদি আরব। তবে পাকিস্তান যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতা শুরু করলে সৌদি আরব হামলা থেকে সরে আসে এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে গুরুত্ব দেয়।
যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা না পাওয়ায় আমিরাত কিছুটা হতাশ হয়েছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে ইরানের হামলায় কাতারের রাস লাফফান এলএনজি প্ল্যান্ট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর কাতারও পাল্টা হামলার কথা বিবেচনা করেছিল। তবে পরে তারা সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। রাস লাফফান বিশ্বের বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস প্ল্যান্টগুলোর একটি।
ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, আমিরাতের এই সমন্বিত হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র অবগত ছিল এবং ওয়াশিংটন চেয়েছিল কাতারও এতে যুক্ত হোক।
সূত্র: ব্লুমবার্গ
শু/সবা
সবুজ বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক 





















