০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগের দায়িত্ব পাচ্ছে সরকার বিরোধীরা : তীব্র আপত্তি

ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত একটি বিল পাস হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনে বিলটি পাস হয়।
কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘাওয়াল বিলটি পাস করেন। তার আগে রাজ্যসভায় এটি পাস করা হয়। তবে এ নিয়ে বিরোধীরা তীব্র আপত্তি জানিয়েছে। তাদের দাবি এর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের কাজকর্মে হস্তক্ষেপ করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার।
বিলটির প্রধান বিষয়গুলো হলোÑ ইলেকশন কমিশন অ্যাক্ট-১৯৯১ এর জায়গায় নতুন বিল আনা। নতুন বিলে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ, তাদের বেতন, অপসারণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো থাকবে। শুধু প্রধান নির্বাচন কমিশনার নয়, অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার সংক্রান্ত বিষয়গুলোও এর মধ্যে থাকবে।
সেখানে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করবেন সিলেকশন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে। প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় কেবিনেট মন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা, অথবা লোকসভায় বৃহত্তম বিরোধী দলের নেতার সুপারিশও কার্যকর হবে।
পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকলেও এ কমিটির সুপারিশ প্রযোজ্য হবে। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটা সার্চ কমিটি এ সিলেকশন কমিটির কাছে কয়েকটি নাম দেবে। আগে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির মতো তাদের বেতন হতো। এবার কেবিনেট সচিবের মতো তাদের বেতন হবে।
তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে এ বিলে ভারতের প্রধান বিচারপতির কোনো ভূমিকা থাকছে না। এদিকে চলতি বছরের মার্চ মাসে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা ও প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে সিলেকশন কমিটি নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করতে পারবেন। নতুন আইন না আসা পর্যন্ত এটা করা যাবে বলে বলা হয়েছিল। কিন্তু এবার নতুন আইনে প্রধান বিচারপতির নামই বাদ। এ নিয়েই আপত্তি বিরোধীদের।

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁয়ে আল হাবিব ইন্টা.ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মাঝে বই বিতরণ

ভারতে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগের দায়িত্ব পাচ্ছে সরকার বিরোধীরা : তীব্র আপত্তি

আপডেট সময় : ০৯:৩২:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩

ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত একটি বিল পাস হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনে বিলটি পাস হয়।
কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘাওয়াল বিলটি পাস করেন। তার আগে রাজ্যসভায় এটি পাস করা হয়। তবে এ নিয়ে বিরোধীরা তীব্র আপত্তি জানিয়েছে। তাদের দাবি এর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের কাজকর্মে হস্তক্ষেপ করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার।
বিলটির প্রধান বিষয়গুলো হলোÑ ইলেকশন কমিশন অ্যাক্ট-১৯৯১ এর জায়গায় নতুন বিল আনা। নতুন বিলে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ, তাদের বেতন, অপসারণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো থাকবে। শুধু প্রধান নির্বাচন কমিশনার নয়, অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার সংক্রান্ত বিষয়গুলোও এর মধ্যে থাকবে।
সেখানে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করবেন সিলেকশন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে। প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় কেবিনেট মন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা, অথবা লোকসভায় বৃহত্তম বিরোধী দলের নেতার সুপারিশও কার্যকর হবে।
পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকলেও এ কমিটির সুপারিশ প্রযোজ্য হবে। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটা সার্চ কমিটি এ সিলেকশন কমিটির কাছে কয়েকটি নাম দেবে। আগে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির মতো তাদের বেতন হতো। এবার কেবিনেট সচিবের মতো তাদের বেতন হবে।
তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে এ বিলে ভারতের প্রধান বিচারপতির কোনো ভূমিকা থাকছে না। এদিকে চলতি বছরের মার্চ মাসে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা ও প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে সিলেকশন কমিটি নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করতে পারবেন। নতুন আইন না আসা পর্যন্ত এটা করা যাবে বলে বলা হয়েছিল। কিন্তু এবার নতুন আইনে প্রধান বিচারপতির নামই বাদ। এ নিয়েই আপত্তি বিরোধীদের।