১০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হিন্দু-বৌদ্ধ নারীদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি

বাংলাদেশে প্রচলিত হিন্দু পারিবারিক আইনের আওতাধীন হিন্দু, বৌদ্ধ ও বিভিন্ন আদিবাসী গোষ্ঠীর নারীদের প্রতি বৈষম্য ও অবিচার নিরসন করার জন্য সরকারের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদ। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এর নেতৃবৃন্দ এ দাবি জানান।

পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. ময়না তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক পুলক ঘটক বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু নারীরা ২০২৪ সালের নারী দিবস উদযাপন করার সময়ও সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত। পিতার সম্পত্তিতে পুত্র সন্তানের একচ্ছত্র অধিকার; কন্যা সন্তানের অধিকার শূন্য। বিবাহ বিচ্ছেদের সুযোগ নেই। ফলে অসংখ্য নারী বিবাহিত জীবনে নির্যাতিত কিংবা স্বামী পরিত্যক্ত হলেও তারা আইনগতভাবে বিচ্ছেদ নিয়ে পুনরায় বিয়ে করে সংসার জীবন যাপন করতে পারছে না। অথচ পুরুষের জন্য বহু বিবাহের সুযোগ নিয়ন্ত্রণহীন ও অবারিত। বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক না হওয়ায় বহু নারী প্রতারণার শিকার হচ্ছে।

তারা বলেন, হিন্দু ও বৌদ্ধ নারীদের সম্পত্তিতে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি পূর্ণাঙ্গ বিবাহ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা, বহুবিবাহ রোধ ও বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার প্রদান করার জন্য এবং নারীর প্রতি বহুমাত্রিক অন্যায় ও বৈষম্যের পথ রহিত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষুধা পেলেই কেন রেগে যাই? ‘হ্যাংরি’ হওয়ার পেছনের বিজ্ঞান কি বলে?

হিন্দু-বৌদ্ধ নারীদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি

আপডেট সময় : ০৯:২৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০২৪
বাংলাদেশে প্রচলিত হিন্দু পারিবারিক আইনের আওতাধীন হিন্দু, বৌদ্ধ ও বিভিন্ন আদিবাসী গোষ্ঠীর নারীদের প্রতি বৈষম্য ও অবিচার নিরসন করার জন্য সরকারের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদ। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এর নেতৃবৃন্দ এ দাবি জানান।

পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. ময়না তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক পুলক ঘটক বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু নারীরা ২০২৪ সালের নারী দিবস উদযাপন করার সময়ও সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত। পিতার সম্পত্তিতে পুত্র সন্তানের একচ্ছত্র অধিকার; কন্যা সন্তানের অধিকার শূন্য। বিবাহ বিচ্ছেদের সুযোগ নেই। ফলে অসংখ্য নারী বিবাহিত জীবনে নির্যাতিত কিংবা স্বামী পরিত্যক্ত হলেও তারা আইনগতভাবে বিচ্ছেদ নিয়ে পুনরায় বিয়ে করে সংসার জীবন যাপন করতে পারছে না। অথচ পুরুষের জন্য বহু বিবাহের সুযোগ নিয়ন্ত্রণহীন ও অবারিত। বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক না হওয়ায় বহু নারী প্রতারণার শিকার হচ্ছে।

তারা বলেন, হিন্দু ও বৌদ্ধ নারীদের সম্পত্তিতে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি পূর্ণাঙ্গ বিবাহ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা, বহুবিবাহ রোধ ও বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার প্রদান করার জন্য এবং নারীর প্রতি বহুমাত্রিক অন্যায় ও বৈষম্যের পথ রহিত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।