০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তীব্রতা বাড়ছে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের

 

🔴রাশিয়ার দুই যুদ্ধজাহাজে হামলার দাবি ইউক্রেনের
🔴কনসার্ট হল হত্যাকাণ্ডে রাশিয়ায় জাতীয় শোক পালন
🔴কিয়েভে একাধিক বিমান হামলা রাশিয়ার
🔴 আকাশসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সক্রিয় পোল্যান্ড
🔴যুক্তরাষ্ট্রের ওকালতি ইউক্রেনের সম্পৃক্ততা প্রমাণ

 

 

 

সম্প্রতি রাশিয়ার অভ্যন্তরে হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেন। এতে রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধের তীব্রতা বেড়েছে। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। রাশিয়া বিমান হামলা চালানোয় সতর্কতা জারি করেছে ইউক্রেন। অন্যদিকে, ক্রিমিয়ায় নোঙর করা রাশিয়ার দুইটি যুদ্ধজাহাজে হামলার দাবি করেছে ইউক্রেন। ক্রিমিয়ায় জাহাজ দুইটি নোঙর করা ছিল। এদিকে পোল্যান্ড জানিয়েছে, ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী অঞ্চল লভিভকে লক্ষ্য করে রাশিয়া হামলা চালানোর পর পোল্যান্ডের আকাশসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারাও তাদের বিমানবাহিনীকে সক্রিয় করেছে।

 

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলা প্রতিহত করতে কাজ করে যাচ্ছে। কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান সেরহি পপকো বলেন, রাশিয়ার ডজনখানেক মিসাইল দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তবে সামরিক বাহিনী রাজধানী কিয়েভ এবং এর আশপাশে আঘাত হানা ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। এসব হামলা থেকে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
লভিভের মেয়র অ্যান্ড্রি স্যাডোভি এক টেলিগ্রাম পোস্টে বলেন, সরাসরি ওই শহরে কোনো ড্রোন আঘাত হানতে পারেনি। ওই অঞ্চল লক্ষ্য করে প্রায় ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং সাতটি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।

 

ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর কৌশলগত যোগাযোগ কেন্দ্র জানিয়েছে, দেশটির সামরিকবাহিনী সফলভাবে রাশিয়ার জাহাজ ইয়ামাল ও আজভে হামলা করেছে। ক্রিমিয়ায় মস্কো সমর্থিত কর্মকর্তারা জানিয়েছে, তাদের বাহিনী ইউক্রেনের বড় ধরনের হামলা প্রতিহত করেছে। সেভাস্তোপলের রুশ নিযুক্ত গভর্নর মিখাইল রাজভোজায়েভ টেলিগ্রাম পোস্টে বলেছে, সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে এটি ছিল বড় হামলা।

 

এর আগে দেশব্যাপী সতর্কতা জারি করে রাশিয়ার কৌশলগত বোমারু বিমান থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক করেছিল ইউক্রেন। অপরদিকে পোল্যান্ডের সশস্ত্র বাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড (আরএসজেড) জানিয়েছে, পোলিশ এবং এর মিত্র যুদ্ধবিমানগুলো সক্রিয় রয়েছে। এর আগে গত শুক্রবারও রাশিয়া কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে ইউক্রেনের একটি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং ১০ লাখ ইউক্রেনীয় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। তবে রোববারের হামলা সম্পর্কে মস্কো এখনও কোনো মন্তব্য করেনি। এর আগে রাশিয়ার সামারা অঞ্চলের একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে সেখানে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। গভর্নর দিমিত্রি আজারভ টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলেন, আঞ্চলিক তেল শোধনাগারে বেশ কয়েকটি ড্রোন হামলা হয়েছে। হামলার ঘটনায় কুইভিশেভ তেল শোধনাগারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। রাশিয়ার সামারা অঞ্চলের বড় তেল শোধনাগার এটি। যেটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে রোসনেফ্ট। বছরে সাত মিলিয়ন টন তেল উৎপাদন করতে পারে এটি। তবে রাশিয়ার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে অধিকাংশ ড্রোন হামলা প্রতিহত করা হয়েছে।

 

এদিকে রাশিয়ার মস্কোর উত্তর উপশহর ক্রাসনোগর্স্কের সিটিতে কনসার্ট হলে ইসলামিক স্টেট (আইএস) গ্রুপের হামলায় সংগঠিত গণহত্যায় ১৪৩ জনের বেশী লোক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গতকাল রাশিয়ায় জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়। কনসার্ট হলের এই হামলা ইউরোপের সবচেয়ে মারাত্মক হামলার বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্টরা। এই ‘বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলার’ পেছনে জড়িতদের শাস্তি দেয়ার অঙ্গীকার করে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, চার বন্দুকধারী ইউক্রেনে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় গ্রেফতার করা হয়েছে। কিয়েভ এই ঘটনার সাথে কোনো ধরণের সংযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখান করেছে এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অভিযোগ তুলে বলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে পুতিন দোষ চাপানোর চেষ্টা করছেন।

 

অন্যদিকে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, মস্কোর কাছে একটি কনসার্ট হলে বন্দুক হামলার ঘটনার তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই যদি যুক্তরাষ্ট্র কিয়েভের সাফাই গায়, তাহলে এটাই প্রমাণ করবে যে এই হামলার সঙ্গে ইউক্রেনের যোগসাজশ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের উদার গণতন্ত্রপন্থি দল ইউক্রেনভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সব কার্যক্রমে অর্থায়ন করে আসছে। আর জো বাইডেন ক্ষমতায় আসার পর সেই সম্পৃক্ততা বহুগুণে বেড়েছে। দশকের পর দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র খুব দক্ষতার সঙ্গে নিজের কিংবা তার মিত্রদের সংগঠিত হাই-প্রোফাইল অপরাধ থেকে মনোযোগ সরিয়ে নেওয়ার কাজ করে আসছে। অতএব, ক্রোকাস সিটি হলে সন্ত্রাসী হামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত, ওয়াশিংটনের থেকে কিয়েভকে ‘নিরপরাধ’ ঘোষণার সামান্য প্রচেষ্টাও ইউক্রেনকে ‘অপরাধী’ হিসেবে উপস্থাপন করবে।
এর আগে শুক্রবার হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জন কিরবি বলেছিলেন, এ ঘটনার সঙ্গে ইউক্রেন বা ইউক্রেনীয়রা জড়িত ছিল এমন কোনো প্রমাণ নেই। এরপরই মারিয়া জাখারোভা বলেছিলেন, হোয়াইট হাউজ মস্কোতে সংগঠিক সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে ইউক্রেন কিংবা ইউক্রেনীয়দের জড়িত থাকার কোনো আলামত পায়নি। একটি শোকাবহ ও বর্বর ঘটনার তদন্ত চলার মধ্যেই মার্কিন কর্মকর্তারা কীসের ভিত্তিতে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছান? তাহলে ওয়াশিংটনের কাছে এই হামলার বিষয়ে তথ্য রয়েছে এবং আসলেই যদি থেকে থাকে, তাহলে তাদের উচিত হবে তথ্যগুলো মস্কোর সঙ্গে শেয়ার করা।

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্রতা বাড়ছে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের

আপডেট সময় : ০৭:২৮:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪

 

🔴রাশিয়ার দুই যুদ্ধজাহাজে হামলার দাবি ইউক্রেনের
🔴কনসার্ট হল হত্যাকাণ্ডে রাশিয়ায় জাতীয় শোক পালন
🔴কিয়েভে একাধিক বিমান হামলা রাশিয়ার
🔴 আকাশসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সক্রিয় পোল্যান্ড
🔴যুক্তরাষ্ট্রের ওকালতি ইউক্রেনের সম্পৃক্ততা প্রমাণ

 

 

 

সম্প্রতি রাশিয়ার অভ্যন্তরে হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেন। এতে রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধের তীব্রতা বেড়েছে। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। রাশিয়া বিমান হামলা চালানোয় সতর্কতা জারি করেছে ইউক্রেন। অন্যদিকে, ক্রিমিয়ায় নোঙর করা রাশিয়ার দুইটি যুদ্ধজাহাজে হামলার দাবি করেছে ইউক্রেন। ক্রিমিয়ায় জাহাজ দুইটি নোঙর করা ছিল। এদিকে পোল্যান্ড জানিয়েছে, ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী অঞ্চল লভিভকে লক্ষ্য করে রাশিয়া হামলা চালানোর পর পোল্যান্ডের আকাশসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারাও তাদের বিমানবাহিনীকে সক্রিয় করেছে।

 

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলা প্রতিহত করতে কাজ করে যাচ্ছে। কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান সেরহি পপকো বলেন, রাশিয়ার ডজনখানেক মিসাইল দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তবে সামরিক বাহিনী রাজধানী কিয়েভ এবং এর আশপাশে আঘাত হানা ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। এসব হামলা থেকে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
লভিভের মেয়র অ্যান্ড্রি স্যাডোভি এক টেলিগ্রাম পোস্টে বলেন, সরাসরি ওই শহরে কোনো ড্রোন আঘাত হানতে পারেনি। ওই অঞ্চল লক্ষ্য করে প্রায় ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং সাতটি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।

 

ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর কৌশলগত যোগাযোগ কেন্দ্র জানিয়েছে, দেশটির সামরিকবাহিনী সফলভাবে রাশিয়ার জাহাজ ইয়ামাল ও আজভে হামলা করেছে। ক্রিমিয়ায় মস্কো সমর্থিত কর্মকর্তারা জানিয়েছে, তাদের বাহিনী ইউক্রেনের বড় ধরনের হামলা প্রতিহত করেছে। সেভাস্তোপলের রুশ নিযুক্ত গভর্নর মিখাইল রাজভোজায়েভ টেলিগ্রাম পোস্টে বলেছে, সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে এটি ছিল বড় হামলা।

 

এর আগে দেশব্যাপী সতর্কতা জারি করে রাশিয়ার কৌশলগত বোমারু বিমান থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক করেছিল ইউক্রেন। অপরদিকে পোল্যান্ডের সশস্ত্র বাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড (আরএসজেড) জানিয়েছে, পোলিশ এবং এর মিত্র যুদ্ধবিমানগুলো সক্রিয় রয়েছে। এর আগে গত শুক্রবারও রাশিয়া কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে ইউক্রেনের একটি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং ১০ লাখ ইউক্রেনীয় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। তবে রোববারের হামলা সম্পর্কে মস্কো এখনও কোনো মন্তব্য করেনি। এর আগে রাশিয়ার সামারা অঞ্চলের একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে সেখানে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। গভর্নর দিমিত্রি আজারভ টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলেন, আঞ্চলিক তেল শোধনাগারে বেশ কয়েকটি ড্রোন হামলা হয়েছে। হামলার ঘটনায় কুইভিশেভ তেল শোধনাগারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। রাশিয়ার সামারা অঞ্চলের বড় তেল শোধনাগার এটি। যেটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে রোসনেফ্ট। বছরে সাত মিলিয়ন টন তেল উৎপাদন করতে পারে এটি। তবে রাশিয়ার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে অধিকাংশ ড্রোন হামলা প্রতিহত করা হয়েছে।

 

এদিকে রাশিয়ার মস্কোর উত্তর উপশহর ক্রাসনোগর্স্কের সিটিতে কনসার্ট হলে ইসলামিক স্টেট (আইএস) গ্রুপের হামলায় সংগঠিত গণহত্যায় ১৪৩ জনের বেশী লোক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গতকাল রাশিয়ায় জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়। কনসার্ট হলের এই হামলা ইউরোপের সবচেয়ে মারাত্মক হামলার বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্টরা। এই ‘বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলার’ পেছনে জড়িতদের শাস্তি দেয়ার অঙ্গীকার করে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, চার বন্দুকধারী ইউক্রেনে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় গ্রেফতার করা হয়েছে। কিয়েভ এই ঘটনার সাথে কোনো ধরণের সংযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখান করেছে এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অভিযোগ তুলে বলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে পুতিন দোষ চাপানোর চেষ্টা করছেন।

 

অন্যদিকে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, মস্কোর কাছে একটি কনসার্ট হলে বন্দুক হামলার ঘটনার তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই যদি যুক্তরাষ্ট্র কিয়েভের সাফাই গায়, তাহলে এটাই প্রমাণ করবে যে এই হামলার সঙ্গে ইউক্রেনের যোগসাজশ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের উদার গণতন্ত্রপন্থি দল ইউক্রেনভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সব কার্যক্রমে অর্থায়ন করে আসছে। আর জো বাইডেন ক্ষমতায় আসার পর সেই সম্পৃক্ততা বহুগুণে বেড়েছে। দশকের পর দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র খুব দক্ষতার সঙ্গে নিজের কিংবা তার মিত্রদের সংগঠিত হাই-প্রোফাইল অপরাধ থেকে মনোযোগ সরিয়ে নেওয়ার কাজ করে আসছে। অতএব, ক্রোকাস সিটি হলে সন্ত্রাসী হামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত, ওয়াশিংটনের থেকে কিয়েভকে ‘নিরপরাধ’ ঘোষণার সামান্য প্রচেষ্টাও ইউক্রেনকে ‘অপরাধী’ হিসেবে উপস্থাপন করবে।
এর আগে শুক্রবার হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জন কিরবি বলেছিলেন, এ ঘটনার সঙ্গে ইউক্রেন বা ইউক্রেনীয়রা জড়িত ছিল এমন কোনো প্রমাণ নেই। এরপরই মারিয়া জাখারোভা বলেছিলেন, হোয়াইট হাউজ মস্কোতে সংগঠিক সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে ইউক্রেন কিংবা ইউক্রেনীয়দের জড়িত থাকার কোনো আলামত পায়নি। একটি শোকাবহ ও বর্বর ঘটনার তদন্ত চলার মধ্যেই মার্কিন কর্মকর্তারা কীসের ভিত্তিতে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছান? তাহলে ওয়াশিংটনের কাছে এই হামলার বিষয়ে তথ্য রয়েছে এবং আসলেই যদি থেকে থাকে, তাহলে তাদের উচিত হবে তথ্যগুলো মস্কোর সঙ্গে শেয়ার করা।