০৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহ থেকে প্রতিদিন ২৫ লাখ টাকার করলা যাচ্ছে বিভিন্ন স্থানে

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া, ভালুকা ও টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রতিদিনই ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার করলা যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। করলা চাষে প্রতিবারই লাভে মুখ দেখে আসছেন সীমান্তের প্রায় ১০টি গ্রামের মানুষ।

বেপারী হানিফ মিয়া জানান, প্রতিদিন ঘাটাইল ও ফুলবাড়ীয়ার বিভিন্ন গ্রাম থেকে এক গাড়ি পরিমাণ করলা কিনেন তিনি। ওই করলা বরিশাল চট্টগ্রাম ও নিমশা এলাকায় নিয়ে বিক্রি করে থাকেন। একটি গাড়ীতে প্রায় এক লাখ টাকার করলা ভর্তি করতে পারেন। তার মতো আরও ৩০ থেকে ৩৫জন বেপারী এসব এলাকা থেকে করলা কিনে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে।

করলা চাষি রিমন জানায়, প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচ করে ১১ কাঠা জমিতে করলা করেছিলেন তিনি। ক্ষেত থেকে বিক্রি করেছেন এক লাখ ৩০ হাজার টাকার করলা। অনাবৃষ্টি ও তীব্র তাপদাহের কারণে গাছের পাতা লালচে হয়ে মরে শুকিয়ে যাচ্ছে। ফলন দিচ্ছেনা। যদি কয়েকদিনের মধ্যে বৃষ্টি না হয় তাহলে এবার আর লাভের মুখ দেখতে পারবেন না তিনি। তাছাড়া এখানকার ৬০ থেকে ৭০ ভাগ মানুষ প্রতিবছর করলার ক্ষেত করে থাকেন।

করলার আরেক চাষি আতিক জানান, ৬ লাখ টাকা খরচ করে ৬ বিঘা জমিতে করলা করেছেন। তোলেছেন দেড় লাখ টাকা। কিন্তু তীব্র তাপ আর অনাবৃষ্টির করণে ক্ষেত জ¦লে যাচ্ছে। সেচ দিয়ে ক্ষেতে পানি দেওয়া সম্ভব নয় তার।

করলা চাষি রিমন আশা প্রকাশ করে বলেন, ফলন দেওয়ার এখনও অনেক সময় আছে। যদি তাপ কমে বৃষ্টি হয় তাহলে ক্ষেতে ফলন বাড়বে। সেক্ষেত্রে ক্ষতির শঙ্কা কেটে যাবে তাদের।

ময়মনসিংহ থেকে প্রতিদিন ২৫ লাখ টাকার করলা যাচ্ছে বিভিন্ন স্থানে

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০২৪

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া, ভালুকা ও টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রতিদিনই ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার করলা যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। করলা চাষে প্রতিবারই লাভে মুখ দেখে আসছেন সীমান্তের প্রায় ১০টি গ্রামের মানুষ।

বেপারী হানিফ মিয়া জানান, প্রতিদিন ঘাটাইল ও ফুলবাড়ীয়ার বিভিন্ন গ্রাম থেকে এক গাড়ি পরিমাণ করলা কিনেন তিনি। ওই করলা বরিশাল চট্টগ্রাম ও নিমশা এলাকায় নিয়ে বিক্রি করে থাকেন। একটি গাড়ীতে প্রায় এক লাখ টাকার করলা ভর্তি করতে পারেন। তার মতো আরও ৩০ থেকে ৩৫জন বেপারী এসব এলাকা থেকে করলা কিনে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে।

করলা চাষি রিমন জানায়, প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচ করে ১১ কাঠা জমিতে করলা করেছিলেন তিনি। ক্ষেত থেকে বিক্রি করেছেন এক লাখ ৩০ হাজার টাকার করলা। অনাবৃষ্টি ও তীব্র তাপদাহের কারণে গাছের পাতা লালচে হয়ে মরে শুকিয়ে যাচ্ছে। ফলন দিচ্ছেনা। যদি কয়েকদিনের মধ্যে বৃষ্টি না হয় তাহলে এবার আর লাভের মুখ দেখতে পারবেন না তিনি। তাছাড়া এখানকার ৬০ থেকে ৭০ ভাগ মানুষ প্রতিবছর করলার ক্ষেত করে থাকেন।

করলার আরেক চাষি আতিক জানান, ৬ লাখ টাকা খরচ করে ৬ বিঘা জমিতে করলা করেছেন। তোলেছেন দেড় লাখ টাকা। কিন্তু তীব্র তাপ আর অনাবৃষ্টির করণে ক্ষেত জ¦লে যাচ্ছে। সেচ দিয়ে ক্ষেতে পানি দেওয়া সম্ভব নয় তার।

করলা চাষি রিমন আশা প্রকাশ করে বলেন, ফলন দেওয়ার এখনও অনেক সময় আছে। যদি তাপ কমে বৃষ্টি হয় তাহলে ক্ষেতে ফলন বাড়বে। সেক্ষেত্রে ক্ষতির শঙ্কা কেটে যাবে তাদের।