০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরে শ্রমিকদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ৭ জন

গাজীপুরের শ্রমিকদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে, গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪ জন এবং  আহত আরও তিন জন। সাংকোয়াং এ্যাপারেল লিমিটেড,ভোগড়া,বাসন,গাজীপুর কাখানারয় এ ঘটনা ঘটে।

কারখানায় গঠিত ট্রেড ইউনিয়নের কর্মকর্তা এবং সাধারণ সদস্যদের মধ্যে কাজের পিচ রেট বাড়ানো এবং ইউনিয়নের চাঁদা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা কাটাকাটির জেরে
ঘটনার সূত্রপাত। কাজের  পিচ রেট বাড়ানোর দাবিতে ২৯ এবং ৩০ শে এপ্রিল কাজ বন্ধ রেখে অবস্থান নেয় কারখানায় গঠিত ইউনিয়নের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে শ্রমিকদের একটি অংশ ।

পহেলা মে কারখনা বন্ধ থাকে, পরবর্তীতে আবারও ২ই মে ২০২৪ ইং তারিখে কাজ বন্ধ রেখে কিছু শ্রমিক ধর্মঘট শুরু করেন। ধর্মঘট চলাকালী সময়ে কারখানায় গঠিত ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আল-আমিন এবং সাধারণ সম্পাদক শ্রাবণীর নেতৃত্বে শ্রমিকদের কে একত্রিত করে কোন প্রকার দাবি মানা ছাড়াই কাজ চালু করার জন্য ঘোষণা দিলে সাধারণ শ্রমিকরা ক্ষেপে যান।

সাধারণ শ্রমিকদের দাবি, ইউনিয়নের কর্মকর্তারা নিজেদের স্বার্থে টানা তিন দিন  ধর্মঘট করার জন্য  শ্রমিকদের কে বাধ্য করেন, এখন ইউনিয়নের কর্মকর্তারা ঘুষ নিয়ে কাজের পিস রেট বাড়ানো ছাড়াই শ্রমিকদেরকে কাজ চালু করতে বলায় মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

অন্যদিকে শ্রমিকদের একাংশ দাবি করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কারখানায় কর্মরত ট্রেড ইউনিয়নের কর্মকর্তাদের একটি অংশ এবং শ্রমিকদের একটি অংশ ইউনিয়নের চাঁদা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ রয়েছে। পূর্বে শ্রমিকরা নিয়মিত চাঁদা পরিশোধ করলেও ইউনিয়নের কর্মকর্তাদের নানা ও নিয়মের কথা জানতে পেরে ৮০% কর্মরত শ্রমিক চাঁদা দেওয়া বন্ধ করে দেন। বিরোধ রয়েছে নিজেদের কর্তৃত্বেরও নেতা নির্বাচন নিয়েও।

পরবর্তীতে নিজেদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির কারণে দুই গ্রুপের মাঝে  সংঘর্ষ হয়। বর্তমানে (চার)৪জন শ্রমিক  গাজীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হামলাকারীরা ঐ কারখানার শ্রমিক ইউনিয়নের কর্মকর্তাগন হলেন মোঃ আলামিন ইউনিয়নের সভাপতি , বাবুল হোসেন সহ-সভাপতি,মোঃ হাসেম সাংগঠনিক সম্পাদক, বিল্লাল সেপটি কমিটির সদস্য , শ্রাবনী সাধারণ সম্পাদক,চম্পা, মোসাঃ পপি,সেফটি কমিটির সদস্য মাসুদ,তারা মিয়া, মোকলেস।
উক্ত ঘটনায় বাসন থানায় দুটি অভিযোগ করা হয়েছে।

হামলার শিকার হয়েছেনঃ মোঃ মিনাল, মাহমুদুল হাসান ওরফে লেবু, মোছাম্মাদ রিপা আক্তার,মোঃ এরশাদ,মোঃ বাদশা মিয়া।
মোহাম্মদ মিনাল বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে সাতজনকে অজ্ঞাত নামা করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।
অপরদিকে অন্যরা একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
উক্ত কারখানার ট্রেড ইউনিয়ন টি একতা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত এবং সংগঠনটি সম্পাদক কামরুল হাসান এর নেতৃত্বে ইউনিয়নটি পরিচালিত হয়ে আসছিল। হামলার শিকার হওয়া শ্রমিকদের দাবি কামরুল হাসানের নির্দেশেই এই হামলা চালিয়েছেন ইউনিয়নের কর্মকর্তারা।

ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় কতটুকু প্রস্তুত পবিপ্রবি?

গাজীপুরে শ্রমিকদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ৭ জন

আপডেট সময় : ০৬:৫৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মে ২০২৪
গাজীপুরের শ্রমিকদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে, গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪ জন এবং  আহত আরও তিন জন। সাংকোয়াং এ্যাপারেল লিমিটেড,ভোগড়া,বাসন,গাজীপুর কাখানারয় এ ঘটনা ঘটে।

কারখানায় গঠিত ট্রেড ইউনিয়নের কর্মকর্তা এবং সাধারণ সদস্যদের মধ্যে কাজের পিচ রেট বাড়ানো এবং ইউনিয়নের চাঁদা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা কাটাকাটির জেরে
ঘটনার সূত্রপাত। কাজের  পিচ রেট বাড়ানোর দাবিতে ২৯ এবং ৩০ শে এপ্রিল কাজ বন্ধ রেখে অবস্থান নেয় কারখানায় গঠিত ইউনিয়নের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে শ্রমিকদের একটি অংশ ।

পহেলা মে কারখনা বন্ধ থাকে, পরবর্তীতে আবারও ২ই মে ২০২৪ ইং তারিখে কাজ বন্ধ রেখে কিছু শ্রমিক ধর্মঘট শুরু করেন। ধর্মঘট চলাকালী সময়ে কারখানায় গঠিত ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আল-আমিন এবং সাধারণ সম্পাদক শ্রাবণীর নেতৃত্বে শ্রমিকদের কে একত্রিত করে কোন প্রকার দাবি মানা ছাড়াই কাজ চালু করার জন্য ঘোষণা দিলে সাধারণ শ্রমিকরা ক্ষেপে যান।

সাধারণ শ্রমিকদের দাবি, ইউনিয়নের কর্মকর্তারা নিজেদের স্বার্থে টানা তিন দিন  ধর্মঘট করার জন্য  শ্রমিকদের কে বাধ্য করেন, এখন ইউনিয়নের কর্মকর্তারা ঘুষ নিয়ে কাজের পিস রেট বাড়ানো ছাড়াই শ্রমিকদেরকে কাজ চালু করতে বলায় মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

অন্যদিকে শ্রমিকদের একাংশ দাবি করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কারখানায় কর্মরত ট্রেড ইউনিয়নের কর্মকর্তাদের একটি অংশ এবং শ্রমিকদের একটি অংশ ইউনিয়নের চাঁদা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ রয়েছে। পূর্বে শ্রমিকরা নিয়মিত চাঁদা পরিশোধ করলেও ইউনিয়নের কর্মকর্তাদের নানা ও নিয়মের কথা জানতে পেরে ৮০% কর্মরত শ্রমিক চাঁদা দেওয়া বন্ধ করে দেন। বিরোধ রয়েছে নিজেদের কর্তৃত্বেরও নেতা নির্বাচন নিয়েও।

পরবর্তীতে নিজেদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির কারণে দুই গ্রুপের মাঝে  সংঘর্ষ হয়। বর্তমানে (চার)৪জন শ্রমিক  গাজীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হামলাকারীরা ঐ কারখানার শ্রমিক ইউনিয়নের কর্মকর্তাগন হলেন মোঃ আলামিন ইউনিয়নের সভাপতি , বাবুল হোসেন সহ-সভাপতি,মোঃ হাসেম সাংগঠনিক সম্পাদক, বিল্লাল সেপটি কমিটির সদস্য , শ্রাবনী সাধারণ সম্পাদক,চম্পা, মোসাঃ পপি,সেফটি কমিটির সদস্য মাসুদ,তারা মিয়া, মোকলেস।
উক্ত ঘটনায় বাসন থানায় দুটি অভিযোগ করা হয়েছে।

হামলার শিকার হয়েছেনঃ মোঃ মিনাল, মাহমুদুল হাসান ওরফে লেবু, মোছাম্মাদ রিপা আক্তার,মোঃ এরশাদ,মোঃ বাদশা মিয়া।
মোহাম্মদ মিনাল বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে সাতজনকে অজ্ঞাত নামা করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।
অপরদিকে অন্যরা একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
উক্ত কারখানার ট্রেড ইউনিয়ন টি একতা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত এবং সংগঠনটি সম্পাদক কামরুল হাসান এর নেতৃত্বে ইউনিয়নটি পরিচালিত হয়ে আসছিল। হামলার শিকার হওয়া শ্রমিকদের দাবি কামরুল হাসানের নির্দেশেই এই হামলা চালিয়েছেন ইউনিয়নের কর্মকর্তারা।