০৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নাসিরাবাদ কলেজ অধ্যক্ষের নামে সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা

গত ১২ ফেব্রুয়ারী ময়মনসিংহ নাসিরাবাদ কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক নির্বাচিত জিএস ও বর্তমান জেলা যুবলীগের যুগ্মআহবায়ক আখেরুল ইমাম সোহাগ তার ফেসবুক পোষ্টে উল্লেখ করেন “দুর্নীতিবাজরা নাসিরাবাদ সাধারন শিক্ষকদের ভয় ভীতি দেখাইয়া কতদিন মুখ বন্ধ করে রাখবেন, পারবেন না। শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না। সময় এসেছে সামনে সত্যকে তুলে ধরার। শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মন্ডলী  আপনারা ভয় পাবেন না, শোকজের ভয় পাবেন না।
সত্যকে তুল ধরুন। নাসিরাবাদ কলেজের ৪/৫ জন শিক্ষকের কাছে সকল শিক্ষকরা জিম্মি কেন? দুর্নীতিবাজরা নাসিরাবাদ কলেজে দুর্নীতির চরম সীমানায়। নাসিরাবাদ কলেজের ৪/৫ জন শিক্ষক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিয়োগ বানিজ্য থেকে শুরু করে কলেজের বিভিন্ন অজুহাতে ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ।
দুর্নীতি দমনের মাধমে এদের বিরুদ্ধে তদন্তের প্রয়োজন এমন পোষ্টের বিপরীতে ময়মনসিংহ নাসিরাবাদ কলেজের অধ্যক্ষ আহমেদ শফিক আখেরুল ইমামের ফেইজবুক আইডিতে এ ২১শে ফেব্রুয়ারী  ২০২৪ তারিখ  বুধবার অনুমান রাত ১০ ঘটিকার সময় অধ্যক্ষ তার নামীয় Ahmed Shafiq কমেন্ট করে যে “সাহস থাকলে তুই প্রমান কর। সামনে পেলে একটানে তোর জিব ছিড়ে ফেলব। ইতর কোথাকার। সীমাহীন কথা বলতে বলতে জিব বড় হয়ে গেছে তোর। সততার পরীক্ষা তোকে দিতে হবে? রাস্তার কুকুরের ঘেউ ঘেউ করা স্বভাব।
তোর জন্মের আগে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলেছি। তোর বাপদের জিজ্ঞাসা কর।” এমন মানহানিকর অপমানজনক কথা লিখাতে আখেরুল ইমাম সোহাগ সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩ এর ২৫(১), ২৯(১), ৩১(২) ধারায় মোকদ্দমা আমলে নিয়া আসামীগনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর আদেশেরর জন্য সুবিচার চেয়ে আদালতে উপস্থাপন করলে বিজ্ঞ আদালত পিবিআই ময়মনসিংহকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
আখেরুল ইমাম সোহাগ এর ষ্টেটাসের প্রেক্ষিতে নাসিরাবাদ কলেজের অধ্যক্ষ আহমেদ শফিক কে সরজমিনে গিয়ে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন দীর্ঘদিন যাবৎ মানসিক যন্ত্রনা থেকে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে তিনি এমন কমেন্টস করেছেন।

নাসিরাবাদ কলেজ অধ্যক্ষের নামে সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা

আপডেট সময় : ০৬:২৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪
গত ১২ ফেব্রুয়ারী ময়মনসিংহ নাসিরাবাদ কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক নির্বাচিত জিএস ও বর্তমান জেলা যুবলীগের যুগ্মআহবায়ক আখেরুল ইমাম সোহাগ তার ফেসবুক পোষ্টে উল্লেখ করেন “দুর্নীতিবাজরা নাসিরাবাদ সাধারন শিক্ষকদের ভয় ভীতি দেখাইয়া কতদিন মুখ বন্ধ করে রাখবেন, পারবেন না। শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না। সময় এসেছে সামনে সত্যকে তুলে ধরার। শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মন্ডলী  আপনারা ভয় পাবেন না, শোকজের ভয় পাবেন না।
সত্যকে তুল ধরুন। নাসিরাবাদ কলেজের ৪/৫ জন শিক্ষকের কাছে সকল শিক্ষকরা জিম্মি কেন? দুর্নীতিবাজরা নাসিরাবাদ কলেজে দুর্নীতির চরম সীমানায়। নাসিরাবাদ কলেজের ৪/৫ জন শিক্ষক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিয়োগ বানিজ্য থেকে শুরু করে কলেজের বিভিন্ন অজুহাতে ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ।
দুর্নীতি দমনের মাধমে এদের বিরুদ্ধে তদন্তের প্রয়োজন এমন পোষ্টের বিপরীতে ময়মনসিংহ নাসিরাবাদ কলেজের অধ্যক্ষ আহমেদ শফিক আখেরুল ইমামের ফেইজবুক আইডিতে এ ২১শে ফেব্রুয়ারী  ২০২৪ তারিখ  বুধবার অনুমান রাত ১০ ঘটিকার সময় অধ্যক্ষ তার নামীয় Ahmed Shafiq কমেন্ট করে যে “সাহস থাকলে তুই প্রমান কর। সামনে পেলে একটানে তোর জিব ছিড়ে ফেলব। ইতর কোথাকার। সীমাহীন কথা বলতে বলতে জিব বড় হয়ে গেছে তোর। সততার পরীক্ষা তোকে দিতে হবে? রাস্তার কুকুরের ঘেউ ঘেউ করা স্বভাব।
তোর জন্মের আগে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলেছি। তোর বাপদের জিজ্ঞাসা কর।” এমন মানহানিকর অপমানজনক কথা লিখাতে আখেরুল ইমাম সোহাগ সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩ এর ২৫(১), ২৯(১), ৩১(২) ধারায় মোকদ্দমা আমলে নিয়া আসামীগনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর আদেশেরর জন্য সুবিচার চেয়ে আদালতে উপস্থাপন করলে বিজ্ঞ আদালত পিবিআই ময়মনসিংহকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
আখেরুল ইমাম সোহাগ এর ষ্টেটাসের প্রেক্ষিতে নাসিরাবাদ কলেজের অধ্যক্ষ আহমেদ শফিক কে সরজমিনে গিয়ে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন দীর্ঘদিন যাবৎ মানসিক যন্ত্রনা থেকে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে তিনি এমন কমেন্টস করেছেন।