০৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভাঙ্গুড়ায় ধান পরিস্কারের সময় ফ্যানে লুঙ্গি পেঁচিয়ে কৃষকের মৃত্যু

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় খোলায় ধান পরিস্কারের সময় ফ্যানের সঙ্গে লুঙ্গি পেঁচিয়ে আহত জহির সরদার (৪৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
গতকাল বুধবার তাকে উন্নত চিকিৎসার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহত জহির সরদারের ছোট ভাই আব্দুল মজিদ সরদার।
ঘটনাটি ঘটেছে ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের ভাঙ্গাপাড়া গ্রামে জনৈক মহসিন হাজীর বাড়ীর সামনে ধানের খোলায়। নিহত জহির ওই গ্রামের আবু বক্কার সরদারের ছেলে। পেশায় তিনি কৃষক। তিনি তিন সন্তানের জনক বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, চলতি বছর জহির তার নিজের কৃষি জমিতে বোরো ধান রোপন করেন। গতকাল বুধবার ধান কেটে তা মাড়াই করেন। এরপর বিকেলে সেই ধান ভাঙ্গাপাড়া গ্রামে জনৈক ব্যক্তির ধানের খোলায় ইঞ্জিন চালিত পাওয়ার টিলারের সাথে স্টিলের বড় (খাঁচা ছাড়া) ফ্যান লাগিয়ে বাতাস দিয়ে পরিস্কার করছিলেন।
এ সময় অসাবধানতায় তার পরনের লুঙ্গি ফ্যানের সাথে পেঁচিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হন। স্থানীয় লোকজন জহিরকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক দৈনিক সবুজ বাংলাকে বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়ায় ধান পরিস্কারের সময় ফ্যানে লুঙ্গি পেঁচিয়ে কৃষকের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৮:১৩:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় খোলায় ধান পরিস্কারের সময় ফ্যানের সঙ্গে লুঙ্গি পেঁচিয়ে আহত জহির সরদার (৪৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
গতকাল বুধবার তাকে উন্নত চিকিৎসার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহত জহির সরদারের ছোট ভাই আব্দুল মজিদ সরদার।
ঘটনাটি ঘটেছে ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের ভাঙ্গাপাড়া গ্রামে জনৈক মহসিন হাজীর বাড়ীর সামনে ধানের খোলায়। নিহত জহির ওই গ্রামের আবু বক্কার সরদারের ছেলে। পেশায় তিনি কৃষক। তিনি তিন সন্তানের জনক বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, চলতি বছর জহির তার নিজের কৃষি জমিতে বোরো ধান রোপন করেন। গতকাল বুধবার ধান কেটে তা মাড়াই করেন। এরপর বিকেলে সেই ধান ভাঙ্গাপাড়া গ্রামে জনৈক ব্যক্তির ধানের খোলায় ইঞ্জিন চালিত পাওয়ার টিলারের সাথে স্টিলের বড় (খাঁচা ছাড়া) ফ্যান লাগিয়ে বাতাস দিয়ে পরিস্কার করছিলেন।
এ সময় অসাবধানতায় তার পরনের লুঙ্গি ফ্যানের সাথে পেঁচিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হন। স্থানীয় লোকজন জহিরকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক দৈনিক সবুজ বাংলাকে বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।