০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভাঙ্গুড়ায় জমজমাট সূদের ব্যবসা, নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার সর্বত্র জমে উঠেছে অবৈধ সূদের ব্যবসা। ব্যাংকের ঋণ পেতে দলিলপত্রের প্রয়োজন হলেও এই টাকা পেতে কিছুই লাগেনা। তাই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও প্রান্তিক চাষিরা চড়া সূদে টাকা নিচ্ছেন।
জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কিছু ব্যক্তি মহাজনী কায়দায় দীর্ঘদিন ধরে দাদন ব্যবসা বা অর্থলগ্নি করে আসছে। এজন্য দাদন গ্রহীতা একটি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর অথবা ব্যাংকের চেক বইয়ের ফাঁকা একটি পাতা প্রদান করেন। শর্তানুযায়ী নির্ধারিত সময়ে সূদ-আসলে তা ফেরত দিতে হয়।
ভুক্তভোগীরা জানান, এক লাখ টাকার মাসিক সূদ ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা। দাদন গ্রহীতারা কিছুদিন কিস্তির টাকা জমা দিলেও চড়া সূদের কারণে পরে অধিকাংশ ব্যক্তি সূদ-আসল কোনোটাই পরিশোধ করতে পারেনা। ফলে সূদ কারবারীদের চাপে অনেকে জমি ও ঘরবাড়ি বিক্রি করে টাকা পরিশোধ করতে নিঃস্ব হচ্ছে বহু পরিবার।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুন নাহার দৈনিক সবুজ বাংলাকে বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে চড়া সূদের কারবারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

আপিল শুনানির অষ্টম দিনে ৪৫ আবেদন মঞ্জুর করল ইসি

ভাঙ্গুড়ায় জমজমাট সূদের ব্যবসা, নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ

আপডেট সময় : ০৪:০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার সর্বত্র জমে উঠেছে অবৈধ সূদের ব্যবসা। ব্যাংকের ঋণ পেতে দলিলপত্রের প্রয়োজন হলেও এই টাকা পেতে কিছুই লাগেনা। তাই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও প্রান্তিক চাষিরা চড়া সূদে টাকা নিচ্ছেন।
জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কিছু ব্যক্তি মহাজনী কায়দায় দীর্ঘদিন ধরে দাদন ব্যবসা বা অর্থলগ্নি করে আসছে। এজন্য দাদন গ্রহীতা একটি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর অথবা ব্যাংকের চেক বইয়ের ফাঁকা একটি পাতা প্রদান করেন। শর্তানুযায়ী নির্ধারিত সময়ে সূদ-আসলে তা ফেরত দিতে হয়।
ভুক্তভোগীরা জানান, এক লাখ টাকার মাসিক সূদ ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা। দাদন গ্রহীতারা কিছুদিন কিস্তির টাকা জমা দিলেও চড়া সূদের কারণে পরে অধিকাংশ ব্যক্তি সূদ-আসল কোনোটাই পরিশোধ করতে পারেনা। ফলে সূদ কারবারীদের চাপে অনেকে জমি ও ঘরবাড়ি বিক্রি করে টাকা পরিশোধ করতে নিঃস্ব হচ্ছে বহু পরিবার।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুন নাহার দৈনিক সবুজ বাংলাকে বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে চড়া সূদের কারবারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।