১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার থেকে বিশেষ ট্রেন বন্ধুের প্রতিবাদে সিপিবির বিক্ষোভ সমাবেশ

কক্সবাজারবাসীর স্বার্থে কক্সবাজারে নিয়মিত বিশেষ ট্রেন চালু রাখা হোক। অন্যতাই দুর্বার আন্দোলন ঘটে তোলা হবে। ২ জুন, রবিবার বিকেল চারটায়, কক্সবাজার কেন্দ্রীয় পুরাতন শহীদ মিনারের সামনে। কক্সবাজার থেকে বিশেষ ট্রেন বন্ধ ঘোষণার প্রতিবাদে ও অবিলম্বে বিষয়ে ট্রেন নিয়মিত চালুকরার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, কক্সবাজার জেলা সংসদ।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি কক্সবাজার জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক  এডভোকেট নাছির উদ্দিনের, সমাবেশ বক্রাতব্য রাখেন কমরেড সমীর পাল, একে ফরিদ আহাম্মদ, এম জসিম উদ্দিন, অমিত চৌধুরী, পুলিন দে, এইচ এম নজরুল ইসলাম, ওসমান গণি, সৌরভ দেব, আজিম নিহাদ, আমান উল্লাহ, আনোয়ার হোসেন রাহুল মহাজন, জয়ন্ত রাজু, সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কক্সবাজার জেলা সংসদের আহ্বায়ক মুক্তাদিল জয়।
উল্লেখ্য গত ৩০ মে, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সহকারী প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (এসিওপিএস) কামাল আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রেলওয়ের মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে কক্সবাজার স্পেশাল-৩ ও ৪ ট্রেনটি আগামী ১০ জুন পর্যন্ত চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু যান্ত্রিক বিভাগ থেকে ইঞ্জিন ও লোকোমাস্টারের সংকট থাকার কথা জানানো হয়েছে। এজন্য কক্সবাজার বিশেষ ট্রেন ৩০ মে থেকে ১০ জুন পর্যন্ত বাতিল করা হলো। গত বছরের ১১ নভেম্বর চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নির্মিত নতুন রেললাইনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর গত বছরের ১ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে এই রুটে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ট্রেন চলাচল।
চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি পর্যটক এক্সপ্রেস নামের আরেকটি ট্রেন চালু করে রেলওয়ে। ঢাকা-কক্সবাজার রুটের দুটি ট্রেনের প্রতিটিতে ১১৫টি করে আসন বরাদ্দ রাখা হয় চট্টগ্রাম স্টেশনের জন্য। ঢাকা থেকে পরপর দুটি ট্রেন চালু করলেও চট্টগ্রাম থেকে কোনো ট্রেন দেওয়া হয়নি। রেলওয়ের এমন সিদ্ধান্তে চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষ ক্ষুব্ধ ছিলেন।
পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দা ও নাগরিক সমাজ ট্রেন চালুর দাবির প্রেক্ষিতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে বিশেষ ট্রেন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। গত ৮ এপ্রিল এই ট্রেন চলাচল শুরু হয়। চালুর পর থেকেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এই ট্রেন। যাত্রীদের চাপে এরপর দুই দফায় বিশেষ ট্রেনের সময় বাড়িয়ে ১০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছিল। তবে নতুন করে আর সময় না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের বিশেষ ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলস্টেশন থেকে প্রতিদিন সকাল ৭টায় ছাড়ে। কক্সবাজারে পৌঁছায় সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। আবার কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছাড়ে সন্ধ্যা ৭টায়। চট্টগ্রামে পৌঁছায় রাত ১০টায়। যাত্রাপথে ট্রেনটি ষোলশহর, জানালীহাট, পটিয়া, দোহাজারী, সাতকানিয়া, চকরিয়া, ডুলাহাজারা ও রামু স্টেশনে থামে এবং যাত্রী পরিবহন করে। মোট ১০টি বগিতে আসন রয়েছে ৪৩৮টি।
জনপ্রিয় সংবাদ

আপিল শুনানির অষ্টম দিনে ৪৫ আবেদন মঞ্জুর করল ইসি

কক্সবাজার থেকে বিশেষ ট্রেন বন্ধুের প্রতিবাদে সিপিবির বিক্ষোভ সমাবেশ

আপডেট সময় : ০৭:৩২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০২৪
কক্সবাজারবাসীর স্বার্থে কক্সবাজারে নিয়মিত বিশেষ ট্রেন চালু রাখা হোক। অন্যতাই দুর্বার আন্দোলন ঘটে তোলা হবে। ২ জুন, রবিবার বিকেল চারটায়, কক্সবাজার কেন্দ্রীয় পুরাতন শহীদ মিনারের সামনে। কক্সবাজার থেকে বিশেষ ট্রেন বন্ধ ঘোষণার প্রতিবাদে ও অবিলম্বে বিষয়ে ট্রেন নিয়মিত চালুকরার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, কক্সবাজার জেলা সংসদ।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি কক্সবাজার জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক  এডভোকেট নাছির উদ্দিনের, সমাবেশ বক্রাতব্য রাখেন কমরেড সমীর পাল, একে ফরিদ আহাম্মদ, এম জসিম উদ্দিন, অমিত চৌধুরী, পুলিন দে, এইচ এম নজরুল ইসলাম, ওসমান গণি, সৌরভ দেব, আজিম নিহাদ, আমান উল্লাহ, আনোয়ার হোসেন রাহুল মহাজন, জয়ন্ত রাজু, সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কক্সবাজার জেলা সংসদের আহ্বায়ক মুক্তাদিল জয়।
উল্লেখ্য গত ৩০ মে, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সহকারী প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (এসিওপিএস) কামাল আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রেলওয়ের মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে কক্সবাজার স্পেশাল-৩ ও ৪ ট্রেনটি আগামী ১০ জুন পর্যন্ত চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু যান্ত্রিক বিভাগ থেকে ইঞ্জিন ও লোকোমাস্টারের সংকট থাকার কথা জানানো হয়েছে। এজন্য কক্সবাজার বিশেষ ট্রেন ৩০ মে থেকে ১০ জুন পর্যন্ত বাতিল করা হলো। গত বছরের ১১ নভেম্বর চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নির্মিত নতুন রেললাইনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর গত বছরের ১ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে এই রুটে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ট্রেন চলাচল।
চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি পর্যটক এক্সপ্রেস নামের আরেকটি ট্রেন চালু করে রেলওয়ে। ঢাকা-কক্সবাজার রুটের দুটি ট্রেনের প্রতিটিতে ১১৫টি করে আসন বরাদ্দ রাখা হয় চট্টগ্রাম স্টেশনের জন্য। ঢাকা থেকে পরপর দুটি ট্রেন চালু করলেও চট্টগ্রাম থেকে কোনো ট্রেন দেওয়া হয়নি। রেলওয়ের এমন সিদ্ধান্তে চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষ ক্ষুব্ধ ছিলেন।
পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দা ও নাগরিক সমাজ ট্রেন চালুর দাবির প্রেক্ষিতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে বিশেষ ট্রেন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। গত ৮ এপ্রিল এই ট্রেন চলাচল শুরু হয়। চালুর পর থেকেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এই ট্রেন। যাত্রীদের চাপে এরপর দুই দফায় বিশেষ ট্রেনের সময় বাড়িয়ে ১০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছিল। তবে নতুন করে আর সময় না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের বিশেষ ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলস্টেশন থেকে প্রতিদিন সকাল ৭টায় ছাড়ে। কক্সবাজারে পৌঁছায় সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। আবার কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছাড়ে সন্ধ্যা ৭টায়। চট্টগ্রামে পৌঁছায় রাত ১০টায়। যাত্রাপথে ট্রেনটি ষোলশহর, জানালীহাট, পটিয়া, দোহাজারী, সাতকানিয়া, চকরিয়া, ডুলাহাজারা ও রামু স্টেশনে থামে এবং যাত্রী পরিবহন করে। মোট ১০টি বগিতে আসন রয়েছে ৪৩৮টি।