চরফ্যাশন উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ১৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিধ্বস্ত হয়েছে, তার মধ্যে ৫টি স¤পূর্ণ ও ১২টি আংশিক। পাঠদান কক্ষের অভাবে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে পড়ায় পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
গফুরপুর নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, তার স্কুলটি পুরো মাটিতে পড়ে গেছে। এখন পাঠদান কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। বিদ্যালয়টি দ্রুত স্থাপন না করা হলে স্থানীয় শিশুদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন সৃষ্টি হবে।
মিনা বাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম বলেন, তার প্রতিষ্ঠানটি স¤পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়, তা মেরামতের জন্য দ্রুত বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এছাড়াও ঢালচর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, নুরাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়টিও আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে। সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবের প্রচেষ্টায় বরাদ্দ পাব ইনশাআল্লাহ।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মহিউদ্দিন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বরাদ্দের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। বরাদ্দ আসলে সবাইকে পৌছে দেয়া হবে।






















