ভোলায় আখের বাম্পার ফলন হয়েছে। আখের সাথে সাথী ফসল হিসেবে আলু করে দ্বিগুন লাভবান কৃষক। বর্তমানে চলছে খেত পাইকারদের কাছে বিক্রি ও কাটার ধুম। আখ চাষে পরিশ্রম বেশি হলেও দামে খুশি চাষিরা। সামনের দিকে আখসহ সাথী ফসলের দিকে ঝুকছে কৃষকেরা। রবিবার (পহেলা সেপ্টেন্বর) ২০২৪ইং তারিখ সকালে চাষিদের সাথে আলাপ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
কৃষি বিভাগের হিসেবে,ভোলায় এবার ৫শত হেক্টর জমিতে আখের চাষ করা হয়েছে। লাভ বেশি হওয়ায় প্রতিনিয়ত কৃষকরা আখ চাষে ঝুকছে। আখের সাথে সাথী ফসল হিসেবে আলু করে দ্বিগুন লাভ গুনছেন তারা। কৃষকদের সহযোগিতা করছেন কৃষি বিভাগ।
ভোলা সরদ উপজেলার-পাঙ্গাসিয়া গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর মুন্সি, বোরহানউদ্দিন উপজেলার কৃষক মোঃ ইছহাক জানান, কার্তিক মাসে আলু ও একই জমিতে অগ্রাহায়ন মাসে আখ রোপন করি তিন মাসের মধ্যে আলু উঠে যায় এবং নয় মাসে আখ। আখের সাথে সাথী ফসল হিসেবে আলু রোপন করে, লাভ আসে দ্বীগুন। আখে কস্ট বেশি হলেও লাভ ভালো। আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে আখগুলো। খেত থেকেই পাইকাররা আলু ও আখ কিনে নিয়ে যায়। বিক্রিতে কোনো বেগ পোহাতে হয়না, একই ভাবে কৃষক মোঃ হোসেন,মোঃ রেশাদ আলী রেশু, মোঃ কামাল হোসেন ও মোঃ ফারুখ তাদের লাভের কথা তুলে ধরেন। আখের পাইকাররা খেত থেকে আখ কেনা শুরু করেছেন। প্রতি শতাংশ আখের খেত বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার টাকা করে। পাইকার খেতেই নগদ টাকা দিয়ে দেয়। একদিকে একই জমিতে আলু সাথে মিলছে সাথী ফসল আখ করায় খরচ কম হচ্ছে চাষিদের। দৌলতখানের আখের বেপারি মোঃ মনির মিয়া জানান, তারা পুরো আখের খেত কেনার পর প্রতিটি আখ কাটার জন্য তিন টাকা করে খরচ দিতে হয় তার পর ভ্যান ও গাড়ি ভাড়া দিয়ে একেকটি আখ বিক্রি করেন ৬০ থেকে ৭০ টাকা করে, আবার ১০/২০ টাকায়ও বিক্রি করতে হয়। তিনি জানান মিষ্টি ও নরম জাতের আখের চাহিদা ভালো রয়েছে। ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ হাসান মোঃ ওয়ারেসুল কবীর জানান, বিভিন্ন ফসলের পাশাপাশি আখও অন্যতম একটি ফসল। কৃষকরা অখের সাথে আন্ত ফসল চাষ করে লাভবান হচ্ছে। কৃষি বিভাগ তাদের সব সময় সহযোগিতা করে আসছে। ভবিষ্যতে আখের আবাদ বাড়লে ভোলার চাহিদা মিটিয়ে জেলার বাইরেও আখ পাঠানো যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
শিরোনাম
ভোলায় আখের বাম্পার ফলন আখের সাথে সাথী ফসল করে লাভ কৃষকের
-
মিজানুর রহমান, ভোলা প্রতিনিধি - আপডেট সময় : ০৬:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
- ।
- 67
জনপ্রিয় সংবাদ
























