০৫:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইবির শেখ হাসিনা হলের বহিরাগত ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে অবস্থানরত বহিরাগত ও অন্য হলের শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আবাসিক শিক্ষার্থীদের নিজ নামের বরাদ্দকৃত সীটে অবস্থানের নির্দেশ দিয়েছে হল প্রশাসন।

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) হল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এই মর্মে একটি নোটিশ জারি করে যেখানে কারো নাম উল্লেখ থাকলেও হল কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর রয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের সকল আবাসিক ছাত্রীদের নিজ নামের বরাদ্দকৃত সীটে অদ্য ৭ সেপ্টেম্বর হতে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হলে অবস্থান করতে বলা হলো এবং বহিরাগত ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হলো।

দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার রাজ্জাক হোসেন বলেন, কিছু শিক্ষার্থীর দাবি ছিল যাদের অন্য হলে এটাচমেন্ট রয়েছে তাদেরকে যেন হল থেকে বের করে দেওয়া হয়। তাদের কারণে নাকি শিক্ষার্থীদের ডাবলিং করে থাকতে হয়। আমি বলেছিলাম হল প্রভোস্ট আসলে তাদের দাবি মেনে নেওয়া হবে। কিন্তু তারা চাইছে এখনই যেন নোটিশ দেওয়া হয়। পরে আমি হল প্রভোস্ট নিয়োগের আনুমানিক সময় ধরে নোটিশ দিয়েছি। তারা আমাকে আশ্বস্ত করেছে যে প্রভোস্ট নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন থেকে বিরত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

ইবির শেখ হাসিনা হলের বহিরাগত ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৫:০৯:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে অবস্থানরত বহিরাগত ও অন্য হলের শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আবাসিক শিক্ষার্থীদের নিজ নামের বরাদ্দকৃত সীটে অবস্থানের নির্দেশ দিয়েছে হল প্রশাসন।

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) হল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এই মর্মে একটি নোটিশ জারি করে যেখানে কারো নাম উল্লেখ থাকলেও হল কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর রয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের সকল আবাসিক ছাত্রীদের নিজ নামের বরাদ্দকৃত সীটে অদ্য ৭ সেপ্টেম্বর হতে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হলে অবস্থান করতে বলা হলো এবং বহিরাগত ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হলো।

দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার রাজ্জাক হোসেন বলেন, কিছু শিক্ষার্থীর দাবি ছিল যাদের অন্য হলে এটাচমেন্ট রয়েছে তাদেরকে যেন হল থেকে বের করে দেওয়া হয়। তাদের কারণে নাকি শিক্ষার্থীদের ডাবলিং করে থাকতে হয়। আমি বলেছিলাম হল প্রভোস্ট আসলে তাদের দাবি মেনে নেওয়া হবে। কিন্তু তারা চাইছে এখনই যেন নোটিশ দেওয়া হয়। পরে আমি হল প্রভোস্ট নিয়োগের আনুমানিক সময় ধরে নোটিশ দিয়েছি। তারা আমাকে আশ্বস্ত করেছে যে প্রভোস্ট নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন থেকে বিরত থাকবে।