০৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আদিবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিতে বাঙালিদের দায়িত্ব নিতে হবে: জেরিন চাকমা 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষার্থী ফোরামের উদ্যোগে সাধারন শিক্ষার্থীরা পাহাড়ে সহিংসতা বন্ধ, হত্যা-হামলার বিচার এবং সকল জাতিগোষ্ঠীর নাগরিক অধিকার নিশ্চিতের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন।

 

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে জবি শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়টির শান্ত চত্বরে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি পালন করে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা পাহাড়ে মানুষ হত্যার বিরোধীতা করে এবং ন্যায় বিচারের দাবি জানিয়ে বক্তৃতা দেন।

 

বেশ কিছু আদিবাসী শিক্ষার্থীকে “এক দেশে দুই নীতি চলবে না”, “বহুজাতির বাংলাদেশ নিপীড়নের সময় শেষ”, ”বাঙালিদের সেনাবাহিনী নয় বাংলাদেশের সেনাবাহিনী চাই”, ইত্যাদি লিখা প্লাকার্ড হাতে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়।

 

বক্তৃতার এক পর্যায়ে জেরিন চাকমা বলেন, আদিবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিতের দায়িত্ব বাঙালিদের নিতে হবে। আদিবাসী টার্মটি যদি বাদও দেই তাহলেও মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমরা নতুন দেশ চাই না। আমরা কোথাও যাবো না, এই‌‌ দেশেতেই রবো।

 

 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়‌ ফোরামের ইভান তাহসীভ বলেন, আমরা আজকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দাঁড়িয়েছি, সাথে জবির পাহাড়ি শিক্ষার্থীরিও আছেন, পাহাড়ের সহিংসতার বিচারের দাবিতে। পাহাড়ে যে সহিংসতা চলছে এবং হত্যা-হামলা হচ্ছে তার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করছি একই সাথে সকল জাতিগোষ্ঠীর নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। পাহাড়ে সেনা শাসন চলমান, এই পরিস্থিতিতে পাহাড়িরা সেখানে অধিকার পাচ্ছে না। পাহাড়িদের ভিন্ন সংস্কৃতির রয়েছে, নিজস্ব জীবন বোধ রয়েছে কিন্তু বরাবরই তাদের উপর বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিচয় চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বর্তমানে পাহাড়িদের সাথে সেটেলারদের যে দ্বন্দ্ব চলমান সেটার দায়ভার রাষ্ট্রকে নিতে হবে। আমরা বলছি, অবিলম্বে এই সংকট নিরসন করা হোক।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক এম কে রানার স্ত্রী আর নেই

আদিবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিতে বাঙালিদের দায়িত্ব নিতে হবে: জেরিন চাকমা 

আপডেট সময় : ০৪:২৭:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষার্থী ফোরামের উদ্যোগে সাধারন শিক্ষার্থীরা পাহাড়ে সহিংসতা বন্ধ, হত্যা-হামলার বিচার এবং সকল জাতিগোষ্ঠীর নাগরিক অধিকার নিশ্চিতের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন।

 

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে জবি শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়টির শান্ত চত্বরে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি পালন করে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা পাহাড়ে মানুষ হত্যার বিরোধীতা করে এবং ন্যায় বিচারের দাবি জানিয়ে বক্তৃতা দেন।

 

বেশ কিছু আদিবাসী শিক্ষার্থীকে “এক দেশে দুই নীতি চলবে না”, “বহুজাতির বাংলাদেশ নিপীড়নের সময় শেষ”, ”বাঙালিদের সেনাবাহিনী নয় বাংলাদেশের সেনাবাহিনী চাই”, ইত্যাদি লিখা প্লাকার্ড হাতে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়।

 

বক্তৃতার এক পর্যায়ে জেরিন চাকমা বলেন, আদিবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিতের দায়িত্ব বাঙালিদের নিতে হবে। আদিবাসী টার্মটি যদি বাদও দেই তাহলেও মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমরা নতুন দেশ চাই না। আমরা কোথাও যাবো না, এই‌‌ দেশেতেই রবো।

 

 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়‌ ফোরামের ইভান তাহসীভ বলেন, আমরা আজকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দাঁড়িয়েছি, সাথে জবির পাহাড়ি শিক্ষার্থীরিও আছেন, পাহাড়ের সহিংসতার বিচারের দাবিতে। পাহাড়ে যে সহিংসতা চলছে এবং হত্যা-হামলা হচ্ছে তার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করছি একই সাথে সকল জাতিগোষ্ঠীর নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। পাহাড়ে সেনা শাসন চলমান, এই পরিস্থিতিতে পাহাড়িরা সেখানে অধিকার পাচ্ছে না। পাহাড়িদের ভিন্ন সংস্কৃতির রয়েছে, নিজস্ব জীবন বোধ রয়েছে কিন্তু বরাবরই তাদের উপর বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিচয় চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বর্তমানে পাহাড়িদের সাথে সেটেলারদের যে দ্বন্দ্ব চলমান সেটার দায়ভার রাষ্ট্রকে নিতে হবে। আমরা বলছি, অবিলম্বে এই সংকট নিরসন করা হোক।