০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়ির ছিটমূল খ্যাত দূর্গম জনপদ-  “পাহাড়ের পাদদেশে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে যে স্কুল”

চারপাশে টিলা-পাহাড়বেষ্ঠিত। দুচোখ যেদিকে যায় কেবল সবুজের সমারোহ। গ্রামের মেঠোপথে হাটতে হাটতে কিছুদূর পর পর চোখে পড়ে একেকটি বসতি। কাঙ্খিত উন্নয়নের ছোঁয়া পড়েনি প্রান্তিক এ জনপদে। আশপাশের ৫ কিলোমিটারের মধ্যে নেই কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চন নগর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের উত্তর কাঞ্চন নগর গ্রামের বটতলী এলাকার সচিত্র। এটি ফটিকছড়ি উপজেলার একটি দূর্গম জনপদ হলেও এখানে যেতে হয় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলা হয়ে। প্রশাসনিক কর্মকান্ডে ফটিকছড়ি আসতে হলেও মূলত কাঞ্চন নগর ইউনিয়নের অবহেলিত দূর্গম এ জনপদের মানুষের বাণিজ্যিক ও স্বাভাবিক জীবনযাপন মানিকছড়ি উপজেলা ঘিরে। এমন একটি দূর্গম জনপদে শিক্ষার মশাল জ্বলাচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী মানবিক প্রতিষ্ঠান ড. মাহমুদ হাসান ফাউন্ডেশন। চলতি বছরের মে মাসের দিকে ফটিকছড়ির ছিটমহল খ্যাত বটতলী সরেজমিন পরিদর্শন করেছিলেন ড. মাহমুদ হাসান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আখতার উদ্দিন মাহমুদ পারভেজ। সে সময় তিনি একটি উঠান বৈঠকে এলাকাবাসীর অনুরোধের পরিপেক্ষাতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার প্রতিশ্রুতি দেন। পরে দ্রুত সময়ের মধ্যে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এখন দৃশ্যমান হয়েছে টিনশীডের একাডেমিক ভবনের প্রাথমিক বিদ্যালয়। এলাকাবাসী ও সুবিধবাভোগী জনগণ এ বিদ্যালয়ের নাম রেখেছেন ড. মাহমুদ হাসান প্রাথমিক বিদ্যালয়। বর্তমানে প্লে গ্রুপ থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত চলছে ভর্তি কার্যক্রম। দুজন শিক্ষক দিয়ে চলছে অধ্যায়ন কার্যক্রম।
এ বিষয়ে স্থানীয় কুজেন্দ্র ত্রিপুরা সবুজ বাংলাকে বলেন, একটা এনজিও প্রাইমারী স্কুল করেছিল এখানে। পরে তাঁরা স্কুল বন্ধ করে দেয়, ফলে এলাকার ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। পরে ড. মাহমুদ হাসান ফাউন্ডেশন এখানে স্কুল করার উদ্যোগ নেয়।
এলাকাবাসীর স্বপ্ন ও প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে উল্লেখ করে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন মিয়া বলেন, মরহুম ড. মাহমুদ হাসান দূর্গম ও অবহেলিত বটতলীতে বহুবার এসেছেন এবং নিজ তহবিল থেকে সহযোগিতা করেছিলেন। তাঁর নামে একটি স্কুল হওয়ায় আমরা আনন্দিত।
কাঞ্চন নগর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, শিক্ষা বঞ্চিত এ অঞ্চলে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা জরুরী ছিল।
জনপ্রিয় সংবাদ

ফটিকছড়ির ছিটমূল খ্যাত দূর্গম জনপদ-  “পাহাড়ের পাদদেশে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে যে স্কুল”

আপডেট সময় : ০৬:২৯:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪

চারপাশে টিলা-পাহাড়বেষ্ঠিত। দুচোখ যেদিকে যায় কেবল সবুজের সমারোহ। গ্রামের মেঠোপথে হাটতে হাটতে কিছুদূর পর পর চোখে পড়ে একেকটি বসতি। কাঙ্খিত উন্নয়নের ছোঁয়া পড়েনি প্রান্তিক এ জনপদে। আশপাশের ৫ কিলোমিটারের মধ্যে নেই কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চন নগর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের উত্তর কাঞ্চন নগর গ্রামের বটতলী এলাকার সচিত্র। এটি ফটিকছড়ি উপজেলার একটি দূর্গম জনপদ হলেও এখানে যেতে হয় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলা হয়ে। প্রশাসনিক কর্মকান্ডে ফটিকছড়ি আসতে হলেও মূলত কাঞ্চন নগর ইউনিয়নের অবহেলিত দূর্গম এ জনপদের মানুষের বাণিজ্যিক ও স্বাভাবিক জীবনযাপন মানিকছড়ি উপজেলা ঘিরে। এমন একটি দূর্গম জনপদে শিক্ষার মশাল জ্বলাচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী মানবিক প্রতিষ্ঠান ড. মাহমুদ হাসান ফাউন্ডেশন। চলতি বছরের মে মাসের দিকে ফটিকছড়ির ছিটমহল খ্যাত বটতলী সরেজমিন পরিদর্শন করেছিলেন ড. মাহমুদ হাসান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আখতার উদ্দিন মাহমুদ পারভেজ। সে সময় তিনি একটি উঠান বৈঠকে এলাকাবাসীর অনুরোধের পরিপেক্ষাতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার প্রতিশ্রুতি দেন। পরে দ্রুত সময়ের মধ্যে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এখন দৃশ্যমান হয়েছে টিনশীডের একাডেমিক ভবনের প্রাথমিক বিদ্যালয়। এলাকাবাসী ও সুবিধবাভোগী জনগণ এ বিদ্যালয়ের নাম রেখেছেন ড. মাহমুদ হাসান প্রাথমিক বিদ্যালয়। বর্তমানে প্লে গ্রুপ থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত চলছে ভর্তি কার্যক্রম। দুজন শিক্ষক দিয়ে চলছে অধ্যায়ন কার্যক্রম।
এ বিষয়ে স্থানীয় কুজেন্দ্র ত্রিপুরা সবুজ বাংলাকে বলেন, একটা এনজিও প্রাইমারী স্কুল করেছিল এখানে। পরে তাঁরা স্কুল বন্ধ করে দেয়, ফলে এলাকার ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। পরে ড. মাহমুদ হাসান ফাউন্ডেশন এখানে স্কুল করার উদ্যোগ নেয়।
এলাকাবাসীর স্বপ্ন ও প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে উল্লেখ করে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন মিয়া বলেন, মরহুম ড. মাহমুদ হাসান দূর্গম ও অবহেলিত বটতলীতে বহুবার এসেছেন এবং নিজ তহবিল থেকে সহযোগিতা করেছিলেন। তাঁর নামে একটি স্কুল হওয়ায় আমরা আনন্দিত।
কাঞ্চন নগর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, শিক্ষা বঞ্চিত এ অঞ্চলে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা জরুরী ছিল।