5:16 pm, Thursday, 14 May 2026

প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হওয়া উচিত: শি জিনপিং

শি জিনপিং বলেছেন, চীনযুক্তরাষ্ট্র-এর প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার বদলে মিত্র হওয়া উচিত।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে বেইজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-কে স্বাগত জানানোর পর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শি জিনপিং বলেন, “এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আমি আপনাকে এবং মার্কিন জনগণকে অভিনন্দন জানাই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যেসব পার্থক্য রয়েছে, তার চেয়ে একসঙ্গে কাজ করার স্বার্থই বেশি বড়।”

তিনি আরও বলেন, “সহযোগিতা উভয় দেশকে লাভবান করবে, আর দ্বন্দ্ব উভয়ের ক্ষতি করবে। দুই দেশের প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার বদলে মিত্র হওয়া উচিত এবং একই সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া উচিত।”

জবাবে ট্রাম্প শি জিনপিংকে “মহান নেতা” বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “অনেকে আমার এ কথা পছন্দ করেন না, কিন্তু এটি সত্য।”

তাইওয়ান ইস্যুতে সংঘাতের সতর্কবার্তা

বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যু নিয়েও ট্রাম্পকে সতর্ক করেন শি জিনপিং। তিনি বলেন, তাইওয়ান প্রশ্নটি যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।

চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, শি ট্রাম্পকে বলেন, “তাইওয়ান ইস্যু সঠিকভাবে সামলানো না হলে দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব, এমনকি সংঘাতও হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, তাইওয়ানের স্বাধীনতার প্রচেষ্টা তাইওয়ান প্রণালির স্থিতিশীলতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এটি দুই দেশের সম্পর্ককে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।

সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস

শু/সবা
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

fifteen − thirteen =

About Author Information

Popular Post

আইসিসির এপ্রিলে সেরা খেলোয়াড় নাহিদ রানা, বাংলাদেশের গর্বিত অর্জন

প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হওয়া উচিত: শি জিনপিং

Update Time : ০৪:১২:১২ pm, Thursday, ১৪ মে ২০২৬

শি জিনপিং বলেছেন, চীনযুক্তরাষ্ট্র-এর প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার বদলে মিত্র হওয়া উচিত।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে বেইজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-কে স্বাগত জানানোর পর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শি জিনপিং বলেন, “এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আমি আপনাকে এবং মার্কিন জনগণকে অভিনন্দন জানাই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যেসব পার্থক্য রয়েছে, তার চেয়ে একসঙ্গে কাজ করার স্বার্থই বেশি বড়।”

তিনি আরও বলেন, “সহযোগিতা উভয় দেশকে লাভবান করবে, আর দ্বন্দ্ব উভয়ের ক্ষতি করবে। দুই দেশের প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার বদলে মিত্র হওয়া উচিত এবং একই সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া উচিত।”

জবাবে ট্রাম্প শি জিনপিংকে “মহান নেতা” বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “অনেকে আমার এ কথা পছন্দ করেন না, কিন্তু এটি সত্য।”

তাইওয়ান ইস্যুতে সংঘাতের সতর্কবার্তা

বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যু নিয়েও ট্রাম্পকে সতর্ক করেন শি জিনপিং। তিনি বলেন, তাইওয়ান প্রশ্নটি যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।

চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, শি ট্রাম্পকে বলেন, “তাইওয়ান ইস্যু সঠিকভাবে সামলানো না হলে দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব, এমনকি সংঘাতও হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, তাইওয়ানের স্বাধীনতার প্রচেষ্টা তাইওয়ান প্রণালির স্থিতিশীলতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এটি দুই দেশের সম্পর্ককে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।

সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস

শু/সবা