দুই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীন-এর মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে উচ্চপর্যায়ের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে চীনের রাজধানী বেইজিং পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে ট্রাম্পকে বহনকারী এয়ার ফোর্স ওয়ানের বিমান বেইজিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
গত প্রায় এক দশকের মধ্যে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের এটি প্রথম চীন সফর। বহুল প্রতীক্ষিত এই বৈঠকে ইরান সংকট, বাণিজ্য যুদ্ধ এবং তাইওয়ান ইস্যু গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই সফরে ব্যবসায়িক চুক্তির দিকেও বিশেষ মনোযোগ দিচ্ছেন ট্রাম্প। সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন এনভিডিয়া-এর প্রধান জেনসেন হুয়াং এবং টেসলা-এর প্রধান ইলন মাস্ক।
বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি নিয়ে প্রতিযোগিতা তীব্র হওয়ার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নীতির কারণে এনভিডিয়ার উন্নত চিপ চীনের কাছে বিক্রি নিষিদ্ধ রয়েছে। ওয়াশিংটন বলছে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সফরের মাঝপথে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-কে চীন আরও উন্মুক্ত করার আহ্বান জানাবেন, যাতে প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যক্তিরা সেখানে কাজের সুযোগ পান।
বৃহস্পতিবার সকালে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজেও অংশ নেবেন দুই নেতা।
হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগে ট্রাম্প বলেন, ইরান ইস্যুতে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার দীর্ঘ আলোচনা হবে। যদিও তিনি দাবি করেন, এই বিষয়ে চীনের সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজন নেই।
এদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ট্রাম্পের সফরকে স্বাগত জানিয়ে জানিয়েছে, পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং মতপার্থক্য কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত বেইজিং।
সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস
শু/সবা
সবুজ বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক 























