রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে তিন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনায় মার্কেটিং বিভাগের ৮ শিক্ষার্থীকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে বাড়তে পারে সংখ্যা। আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির এক জরুরি বৈঠক শেষে এমন তথ্য নিশ্চিত করেন বেরোবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ শওকাত আলী ।
বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী সাফায়েত হোসেন শুভ , শাহরিয়ার অপু, সজিব,সৌরভ, নাজমুজ সাকিব, রোহান সরকার রোহান, জিহাদ ও ২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম।
এর আগে গতকাল সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯ টায় ঘটনার সূত্রপাত হয়। ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে মার্কেটিং, পরিসংখ্যান ও পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এসময় রাত সাড়ে ১০ টা নাগাদ ক্ষিপ্ত হয়ে পরিসংখ্যান ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শ্রেণীকক্ষ ভাংচুর করে।
মারামারি সংঘর্ষ ও ভাংচুরের ঘটনায় আহত হন অন্তত ১০ শিক্ষার্থী। একজন শিক্ষার্থীর মাথায় গুরুতর জখম হলে তৎক্ষনাৎ তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ফেরদৌস রহমান, রেজিষ্ট্রার ড. হারুন অর রশীদ, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. ইলিয়াস প্রামাণিকসহ তিন বিভাগের শিক্ষাকরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও শিক্ষার্থীরা লাঠিসোটা নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।
পরে রাত ১১ টা নাগাদ উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ শওকাত আলী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে জরুরি শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে উপাচার্য বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি জিরো টলারেন্স। এইসকল বিষয় আর অধিকতর আইডেন্টিফাই করার জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নির্দিষ্ট কোন সেমিস্টার বহিষ্কার কিনা সে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বহিষ্কার মানে বহিষ্কার, কোনো সেমিস্টার নেই এখানে। বিশ্ববিদ্যালয়কে কলঙ্ক মুক্ত করার জন্য এসমস্ত কীটকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করতে হবে।
এমআর/সবা























