০৫:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বোচ্চ আসনে জয়, রহমানের মন্ত্রিসভায় যারা থাকতে পারেন

 বিএনপি রাজনৈতিক ইতিহাসে সর্বোচ্চ আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানই প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন এটি প্রায় নিশ্চিত। তবে তার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার আকার কেমন হবে এবং কারা থাকবেন, তা নিয়ে দলীয় অঙ্গনে চলছে বিস্তর আলোচনা।

দলের স্থায়ী কমিটি ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, নতুন মন্ত্রিসভা প্রবীণ ও নবীনের সমন্বয়ে গঠিত হতে পারে। ২০০১ থেকে ২০০৬ মেয়াদের বিএনপি সরকারের অভিজ্ঞ মন্ত্রীদের যেমন রাখা হতে পারে, তেমনি প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন—এমন নতুন মুখও থাকতে পারেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার চিন্তাও রয়েছে।

মন্ত্রিসভার আকার ও দপ্তর বণ্টন নিয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২০৯ আসনে জয় পাওয়ার পর যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের অন্তর্ভুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে। জাতীয় সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সব শরিককে রাখা হবে, নাকি কেবল নির্বাচনী জোটভুক্তদের—তা এখনো স্পষ্ট নয়।

দলীয় সূত্রে সম্ভাব্য যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তাদের মধ্যে আছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, হাফিজ উদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুএজেডএম জাহিদ হোসেন। টেকনোক্র্যাট কোটায় নজরুল ইসলাম খানসেলিমা রহমান থাকতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদর নামও শোনা যাচ্ছে।

নবীনদের মধ্যে আসাদুজ্জামান আসাদকায়সার কামালসহ আরও কয়েকজন নতুন মুখ থাকতে পারেন। টেকনোক্র্যাট কোটায় রুহুল কবির রিজভী, হাবিব উন নবী খান সোহেল এবং বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ আলমগীর পাভেলর নামও আলোচনায় রয়েছে।

যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের মধ্য থেকে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বলে জানা গেছে। এছাড়া আন্দালিব রহমান পার্থ, ববি হাজ্জাজ, শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়ার নামও আলোচনায় রয়েছে।

মন্ত্রিসভার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী ও বিভিন্ন সেক্টরভিত্তিক পদেও একাধিক নিয়োগ হতে পারে। স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, নতুন মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত রূপ জানতে আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বোচ্চ আসনে জয়, রহমানের মন্ত্রিসভায় যারা থাকতে পারেন

আপডেট সময় : ০৬:১৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 বিএনপি রাজনৈতিক ইতিহাসে সর্বোচ্চ আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানই প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন এটি প্রায় নিশ্চিত। তবে তার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার আকার কেমন হবে এবং কারা থাকবেন, তা নিয়ে দলীয় অঙ্গনে চলছে বিস্তর আলোচনা।

দলের স্থায়ী কমিটি ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, নতুন মন্ত্রিসভা প্রবীণ ও নবীনের সমন্বয়ে গঠিত হতে পারে। ২০০১ থেকে ২০০৬ মেয়াদের বিএনপি সরকারের অভিজ্ঞ মন্ত্রীদের যেমন রাখা হতে পারে, তেমনি প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন—এমন নতুন মুখও থাকতে পারেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার চিন্তাও রয়েছে।

মন্ত্রিসভার আকার ও দপ্তর বণ্টন নিয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২০৯ আসনে জয় পাওয়ার পর যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের অন্তর্ভুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে। জাতীয় সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সব শরিককে রাখা হবে, নাকি কেবল নির্বাচনী জোটভুক্তদের—তা এখনো স্পষ্ট নয়।

দলীয় সূত্রে সম্ভাব্য যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তাদের মধ্যে আছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, হাফিজ উদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুএজেডএম জাহিদ হোসেন। টেকনোক্র্যাট কোটায় নজরুল ইসলাম খানসেলিমা রহমান থাকতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদর নামও শোনা যাচ্ছে।

নবীনদের মধ্যে আসাদুজ্জামান আসাদকায়সার কামালসহ আরও কয়েকজন নতুন মুখ থাকতে পারেন। টেকনোক্র্যাট কোটায় রুহুল কবির রিজভী, হাবিব উন নবী খান সোহেল এবং বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ আলমগীর পাভেলর নামও আলোচনায় রয়েছে।

যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের মধ্য থেকে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বলে জানা গেছে। এছাড়া আন্দালিব রহমান পার্থ, ববি হাজ্জাজ, শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়ার নামও আলোচনায় রয়েছে।

মন্ত্রিসভার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী ও বিভিন্ন সেক্টরভিত্তিক পদেও একাধিক নিয়োগ হতে পারে। স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, নতুন মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত রূপ জানতে আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

শু/সবা