চট্টগ্রাম নগরীর টাইগারপাস এলাকায় গ্রাফিতি আঁকাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতাকর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুরে কয়েকজন নারীসহ এনসিপির নেতাকর্মীরা গ্রাফিতি আঁকতে গেলে পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা, কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উত্তেজনার একপর্যায়ে এক নারীকে সরিয়ে দিতে গিয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তার সঙ্গে ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। উপস্থিত ব্যক্তিরা ওই কর্মকর্তাকে আমিরুল ইসলাম বলে শনাক্ত করেন। তার বিরুদ্ধে এক নারীকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত তাজরিনা তাবাসসুম নামের এক নারী দাবি করেন, তারা শান্তিপূর্ণভাবে গ্রাফিতি আঁকতে গিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ বাধা দেওয়ায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রশ্ন তোলেন, “ফুটপাতে দাঁড়িয়ে গ্রাফিতি আঁকা আর সভা-সমাবেশের মধ্যে পার্থক্য বোঝেন না?” তিনি আরও অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অযথা বাধা দেওয়া হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ডিসি আমিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, তার হাত কোনো নারীর শরীর স্পর্শ করেনি এবং এ অভিযোগ “ভুল তথ্য”।
এর আগে রোববার রাতেও টাইগারপাস এলাকায় জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মুছে ফেলা নিয়ে এনসিপি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শু/সবা
সবুজ বাংলা অনলাইন 




















