খসড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির দাবি, বর্তমান খসড়া অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করা হলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা ও কার্যকর ভূমিকা পালনের সক্ষমতা সংকুচিত হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, খসড়ার কিছু বিধান বহাল থাকলে কমিশনের তদন্ত, পরিদর্শন ও তদারকির ক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়বে। বিশেষ করে খসড়ার ১৩ নম্বর ধারায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা ও নজরদারি সংস্থার সম্ভাব্য গোপন আটককেন্দ্র বা তথাকথিত ‘আয়না ঘর’ পরিদর্শনের বিষয়টি স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এতে গোপন আটক বা অবৈধ আটকের অভিযোগ তদন্তে কমিশনের কার্যকারিতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
এছাড়া খসড়ার ২০ নম্বর ধারায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে কমিশনের ক্ষমতা সীমিত রাখার বিষয়েও আপত্তি জানায় টিআইবি।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বর্তমান খসড়া অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করা হলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী একটি স্বাধীন ও কার্যকর মানবাধিকার কমিশন গঠন সম্ভব হবে না। তিনি আরও বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে বাংলাদেশের চেয়েও বেশি স্বৈরাচারী সরকার রয়েছে, কিন্তু কোথাও রাষ্ট্রীয় বা জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে এভাবে দলীয়করণ করে ধ্বংস করা হয় না।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারের প্রতি জনগণের প্রত্যাশা অনেক। তাই সরকার জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা, নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা অক্ষুণ্ন রাখবে এবং সেগুলোকে দুর্বল করার মতো কোনো পদক্ষেপ নেবে না।
শু/সবা
স্টাফ রিপোর্টার: 


















