১০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবার ত্রাণ বিতরণকারীদের ওপর হামলা, নিহত ২৭

 

ফিলিস্তিনের গাজায় ত্রাণ বিতরণকারী দলের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এছাড়া আরো কয়েকটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ২৭ জন নিহত হয়েছে। মধ্য গাজার আল নুসিরাত শরণার্থী শিবিরে একটি তিনতলা আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি বাহিনীর বোমা হামলার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে থেকে আহতদের উদ্ধার করে দেইর এল-বালাহের আল-আকসা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় দুর্ভিক্ষ আসন্ন বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে জাতিসংঘ বলছে, উত্তর গাজায় ৭০ শতাংশ মানুষ ক্ষুধার সম্মুখীন। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের অর্থায়নে জর্ডান হয়ে দুই হাজার টনেরও বেশি খাদ্য সহায়তা পৌঁছেছে গাজায়। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় দুই লাখ ৭৫ হাজার মানুষের মধ্যে এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হবে। খাদ্যের পাশাপাশি তাঁবু এবং কম্বলও ত্রাণ হিসেবে পাঠানো হয়েছে। ইউনিসেফের মাধ্যমে এসব তাঁবু ও কম্বল বিতরণ করা হবে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব ডেভিড ক্যামেরন এক বিবৃতিতে বলেছেন, আরো সাহায্য পেতে আমাদের সড়কপথে টেকসই মানবিক প্রবেশাধিকার প্রয়োজন। আমরা ইসরায়েলকে আরো ক্রসিং খুলতে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, পানি এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করতে চাপ দিয়ে যাচ্ছি।

জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ জানিয়েছে, ফিলিস্তিনের গাজায় গত পাঁচ মাসের বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় ১৩ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে উত্তর গাজায় মারাত্মক অপুষ্টিতে ভোগা শিশুর সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। ক্ষুধা ও অপুষ্টিতে কাতর এই শিশুদের অনেকেরই শরীরে কান্না করার মতো পর্যাপ্ত শক্তিও অবশিষ্ট নেই।
জাতিসংঘের সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) জানিয়েছে, গাজার উত্তরাঞ্চলে দুই বছরের কম বয়সি প্রতি তিনজন শিশুর একজন এখন মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছে। টানা পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে চালানো ইসরায়েলি আগ্রাসনে কমপক্ষে ৩১ হাজার ৮১৯ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৭৩ হাজার ৯৩৪ জন আহত হয়েছেন। গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে নিহত হয় ১ হাজার ১৩৯ জন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

এবার ত্রাণ বিতরণকারীদের ওপর হামলা, নিহত ২৭

আপডেট সময় : ০৬:২৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০২৪

 

ফিলিস্তিনের গাজায় ত্রাণ বিতরণকারী দলের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এছাড়া আরো কয়েকটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ২৭ জন নিহত হয়েছে। মধ্য গাজার আল নুসিরাত শরণার্থী শিবিরে একটি তিনতলা আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি বাহিনীর বোমা হামলার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে থেকে আহতদের উদ্ধার করে দেইর এল-বালাহের আল-আকসা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় দুর্ভিক্ষ আসন্ন বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে জাতিসংঘ বলছে, উত্তর গাজায় ৭০ শতাংশ মানুষ ক্ষুধার সম্মুখীন। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের অর্থায়নে জর্ডান হয়ে দুই হাজার টনেরও বেশি খাদ্য সহায়তা পৌঁছেছে গাজায়। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় দুই লাখ ৭৫ হাজার মানুষের মধ্যে এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হবে। খাদ্যের পাশাপাশি তাঁবু এবং কম্বলও ত্রাণ হিসেবে পাঠানো হয়েছে। ইউনিসেফের মাধ্যমে এসব তাঁবু ও কম্বল বিতরণ করা হবে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব ডেভিড ক্যামেরন এক বিবৃতিতে বলেছেন, আরো সাহায্য পেতে আমাদের সড়কপথে টেকসই মানবিক প্রবেশাধিকার প্রয়োজন। আমরা ইসরায়েলকে আরো ক্রসিং খুলতে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, পানি এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করতে চাপ দিয়ে যাচ্ছি।

জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ জানিয়েছে, ফিলিস্তিনের গাজায় গত পাঁচ মাসের বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় ১৩ হাজারের বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে উত্তর গাজায় মারাত্মক অপুষ্টিতে ভোগা শিশুর সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। ক্ষুধা ও অপুষ্টিতে কাতর এই শিশুদের অনেকেরই শরীরে কান্না করার মতো পর্যাপ্ত শক্তিও অবশিষ্ট নেই।
জাতিসংঘের সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) জানিয়েছে, গাজার উত্তরাঞ্চলে দুই বছরের কম বয়সি প্রতি তিনজন শিশুর একজন এখন মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছে। টানা পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে চালানো ইসরায়েলি আগ্রাসনে কমপক্ষে ৩১ হাজার ৮১৯ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৭৩ হাজার ৯৩৪ জন আহত হয়েছেন। গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে নিহত হয় ১ হাজার ১৩৯ জন।