০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চীনকে ‘আসিয়ানের’ অধিকাংশ জনগণের পছন্দ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের অধিকাংশ জনগণই যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীনের সঙ্গে মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ হতে বেশি আগ্রহী।গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত সিঙ্গাপুরভিত্তিক থিংকট্যাংক আইএসইএএস-ইউসুফ ইসহাক ইনস্টিটিউট পরিচালিত জরিপের ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে। -খবর নিক্কেই এশিয়ার।
জরিপে উঠে এসেছে, ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন- দুই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে নিজ নিজ দেশের মৈত্রীর সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তারা চীনকে প্রাধান্য দেবেন। বিপরীতে জরিপে যুক্তরাষ্ট্রকে বেছে নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন ৪৯ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ। এই জরিপ ইঙ্গিত করে যে, এ অঞ্চলে চীনের প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। উল্লেখ্য, সংস্থাটি ২০২০ সাল থেকে এ ধরনের জরিপ চালাচ্ছে। এই প্রথম চীন যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে গেল।

 

 

গত বছর অর্থাৎ, ২০২৩ সালে পরিচালিত জরিপে দেখা গিয়েছিল- আসিয়ানের অন্তত ৬১ দশমিক ১ শতাংশ জনগণ মিত্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে পাশে চায়। সে সময় চীনের প্রতি আস্থা জ্ঞাপন করেছিলেন মাত্র ৩৮ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ। এক বছরের ব্যবধানে চীনের প্রতি এই অঞ্চলের মানুষের সমর্থন কেবল বাড়েইনি, একই সঙ্গে তা যুক্তরাষ্ট্রকেও টপকে গেছে। এ জরিপে আসিয়ান দেশগুলোর সরকারি-বেসরকারি সব খাতের লোকজনসহ দেশগুলোর শিক্ষাবিদ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

 

 

আসিয়ানের দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়ার মানুষ চীনের প্রতি সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক। দেশটির ৭৫ দশমিক ১ শতাংশ মানুষের চীনের সঙ্গে মৈত্রীর সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী। ইন্দোনেশিয়া ও লাওসে এই হার যথাক্রমে ৭৩ দশমিক ২ শতাংশ ও ৭০ দশমিক ৬ শতাংশ। উল্লেখ্য, এই তিন দেশই চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের সুবিধাভোগী।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনকে ‘আসিয়ানের’ অধিকাংশ জনগণের পছন্দ

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের অধিকাংশ জনগণই যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীনের সঙ্গে মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ হতে বেশি আগ্রহী।গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত সিঙ্গাপুরভিত্তিক থিংকট্যাংক আইএসইএএস-ইউসুফ ইসহাক ইনস্টিটিউট পরিচালিত জরিপের ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে। -খবর নিক্কেই এশিয়ার।
জরিপে উঠে এসেছে, ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন- দুই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে নিজ নিজ দেশের মৈত্রীর সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তারা চীনকে প্রাধান্য দেবেন। বিপরীতে জরিপে যুক্তরাষ্ট্রকে বেছে নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন ৪৯ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ। এই জরিপ ইঙ্গিত করে যে, এ অঞ্চলে চীনের প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। উল্লেখ্য, সংস্থাটি ২০২০ সাল থেকে এ ধরনের জরিপ চালাচ্ছে। এই প্রথম চীন যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে গেল।

 

 

গত বছর অর্থাৎ, ২০২৩ সালে পরিচালিত জরিপে দেখা গিয়েছিল- আসিয়ানের অন্তত ৬১ দশমিক ১ শতাংশ জনগণ মিত্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে পাশে চায়। সে সময় চীনের প্রতি আস্থা জ্ঞাপন করেছিলেন মাত্র ৩৮ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ। এক বছরের ব্যবধানে চীনের প্রতি এই অঞ্চলের মানুষের সমর্থন কেবল বাড়েইনি, একই সঙ্গে তা যুক্তরাষ্ট্রকেও টপকে গেছে। এ জরিপে আসিয়ান দেশগুলোর সরকারি-বেসরকারি সব খাতের লোকজনসহ দেশগুলোর শিক্ষাবিদ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

 

 

আসিয়ানের দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়ার মানুষ চীনের প্রতি সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক। দেশটির ৭৫ দশমিক ১ শতাংশ মানুষের চীনের সঙ্গে মৈত্রীর সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী। ইন্দোনেশিয়া ও লাওসে এই হার যথাক্রমে ৭৩ দশমিক ২ শতাংশ ও ৭০ দশমিক ৬ শতাংশ। উল্লেখ্য, এই তিন দেশই চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের সুবিধাভোগী।