০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বেরোবিতে ছাত্রলীগ কর্মীকে রড দিয়ে পেটালেন আরেক কর্মী

পূর্ব বিরোধের জেরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপের এক কর্মীকে রড দিয়ে মারধর করেছে সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের দুই কর্মী। এঘটনায় একজন আহত হয়েছেন। আহত ছাত্রলীগ কর্মীকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ এপ্রিল) রাত দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সভাপতি গ্রুপের নেতাকর্মীরা কুড়িগ্রাম-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেয়।
অবরোধের ২০ মিনিট পরে ছাত্রলীগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রচেষ্টায় অবরোধ তুলে নেয় কর্মীরা। এসময় রাস্তার দুই দিকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
পুলিশ জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি পোমেল বড়ুয়ার কর্মী পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী পিপাস পার্কের মোড় চা খাচ্ছিলেন। হঠাৎ করেই সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান শামীম গ্রুপের কর্মী ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী লিওন ও রিমু রড দিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। খবর পেয়ে দুই পক্ষই আলাদা আলাদা অবস্থান নেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর তাদের মাঝখানে অবস্থান নেয়।
এর আগে গেল ডিসেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে যাতায়াতের সময় পিপাসের শরীরের সঙ্গে ধাক্কা লাগে লিওনের শরীর। এ নিয়ে বাক বিতণ্ডার এক পর্যায়ে লিওনকে মারধর করে পিপাস। ওই ঘটনার জেরে এই হামলার ঘটনা হয় বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর শরিফুল ইসলাম বলেন, ঘটনার কথা শুনে আমি ঘটনাস্থলে যাই। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় কতটুকু প্রস্তুত পবিপ্রবি?

বেরোবিতে ছাত্রলীগ কর্মীকে রড দিয়ে পেটালেন আরেক কর্মী

আপডেট সময় : ০৯:২২:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৪
পূর্ব বিরোধের জেরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপের এক কর্মীকে রড দিয়ে মারধর করেছে সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের দুই কর্মী। এঘটনায় একজন আহত হয়েছেন। আহত ছাত্রলীগ কর্মীকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ এপ্রিল) রাত দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সভাপতি গ্রুপের নেতাকর্মীরা কুড়িগ্রাম-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেয়।
অবরোধের ২০ মিনিট পরে ছাত্রলীগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রচেষ্টায় অবরোধ তুলে নেয় কর্মীরা। এসময় রাস্তার দুই দিকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
পুলিশ জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি পোমেল বড়ুয়ার কর্মী পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী পিপাস পার্কের মোড় চা খাচ্ছিলেন। হঠাৎ করেই সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান শামীম গ্রুপের কর্মী ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী লিওন ও রিমু রড দিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। খবর পেয়ে দুই পক্ষই আলাদা আলাদা অবস্থান নেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর তাদের মাঝখানে অবস্থান নেয়।
এর আগে গেল ডিসেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে যাতায়াতের সময় পিপাসের শরীরের সঙ্গে ধাক্কা লাগে লিওনের শরীর। এ নিয়ে বাক বিতণ্ডার এক পর্যায়ে লিওনকে মারধর করে পিপাস। ওই ঘটনার জেরে এই হামলার ঘটনা হয় বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর শরিফুল ইসলাম বলেন, ঘটনার কথা শুনে আমি ঘটনাস্থলে যাই। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।