০৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৪০ বছরের শিক্ষকতায় প্রশাসনিক কাজের প্রস্তাব পাইনি কোনদিন: চবি উপাচার্য 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেছেন, ৪০ বছর শিক্ষকতা করেও কোনদিন প্রশাসনিক কাজের প্রস্তাব পাইনি। কিন্তু আজকে ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চবি উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে চবি সাংবাদিক সমিতির(চবিসাস) সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
চবি উপাচার্য বলেন, যারা লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল তাদেরকে প্রশাসনিক বিভিন্ন কাজে নিয়োগ দেওয়া হত। যার কারণে আমি কোনদিন কোন হাউস টিউটরের দায়িত্বও পালন করার প্রস্তাব পাইনি। ২৪শের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে আজকে আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ হয়েছে।
ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন,ক্যাম্পাসে ছাত্ররা অবশ্যই রাজনীতি করবে কিন্তু সেই রাজনীতি হতে হবে ছাত্রদের অ্যাকাডেমিক স্বার্থ কেন্দ্রিক। সেটা জামায়াত, বিএনপি কিংবা আওয়ামিলীগের দলীয় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি হবে না।
চবি উপাচার্য আরও বলেন, আমি ৪০ বছর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছি কিন্তু কখনো জামায়াত জিন্দাবাদ, বিএনপি জিন্দাবাদ এবং আওয়ামিলীগ জিন্দাবাদ বলেনি কিন্তু অনেকেই এ কথা বলেছেন। ‘আমার বই নেই কেন? জবাব চাই জবাব চাই’ এই স্লোগান তো কখনো শুনেনি, ‘আমার পরীক্ষা সময়মত হয়নি কেন? জবাব চাই জবাব চাই’ এই স্লোগান তো শুনেনি। ২০১০ সালে শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হলো কিন্তু কোন ছাত্র সংগঠন কি এ বিষয়ের উপরে সেমিনার বা সিম্পোজিয়াম করেছে? করেনি। সুতরাং আমি মনে করি শিক্ষার্থীরা তাদের প্রয়োজনীয় অ্যাকাডেমিক স্বার্থে রাজনীতি করবে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন চবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আজহার, সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান এবং সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

বাকৃবিতে স্নাতক প্রথম বর্ষ কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন, উপস্থিতি ৮৯ দশমিক ৮ শতাংশ

৪০ বছরের শিক্ষকতায় প্রশাসনিক কাজের প্রস্তাব পাইনি কোনদিন: চবি উপাচার্য 

আপডেট সময় : ০৩:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেছেন, ৪০ বছর শিক্ষকতা করেও কোনদিন প্রশাসনিক কাজের প্রস্তাব পাইনি। কিন্তু আজকে ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চবি উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে চবি সাংবাদিক সমিতির(চবিসাস) সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
চবি উপাচার্য বলেন, যারা লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল তাদেরকে প্রশাসনিক বিভিন্ন কাজে নিয়োগ দেওয়া হত। যার কারণে আমি কোনদিন কোন হাউস টিউটরের দায়িত্বও পালন করার প্রস্তাব পাইনি। ২৪শের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে আজকে আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ হয়েছে।
ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন,ক্যাম্পাসে ছাত্ররা অবশ্যই রাজনীতি করবে কিন্তু সেই রাজনীতি হতে হবে ছাত্রদের অ্যাকাডেমিক স্বার্থ কেন্দ্রিক। সেটা জামায়াত, বিএনপি কিংবা আওয়ামিলীগের দলীয় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি হবে না।
চবি উপাচার্য আরও বলেন, আমি ৪০ বছর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছি কিন্তু কখনো জামায়াত জিন্দাবাদ, বিএনপি জিন্দাবাদ এবং আওয়ামিলীগ জিন্দাবাদ বলেনি কিন্তু অনেকেই এ কথা বলেছেন। ‘আমার বই নেই কেন? জবাব চাই জবাব চাই’ এই স্লোগান তো কখনো শুনেনি, ‘আমার পরীক্ষা সময়মত হয়নি কেন? জবাব চাই জবাব চাই’ এই স্লোগান তো শুনেনি। ২০১০ সালে শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হলো কিন্তু কোন ছাত্র সংগঠন কি এ বিষয়ের উপরে সেমিনার বা সিম্পোজিয়াম করেছে? করেনি। সুতরাং আমি মনে করি শিক্ষার্থীরা তাদের প্রয়োজনীয় অ্যাকাডেমিক স্বার্থে রাজনীতি করবে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন চবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আজহার, সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান এবং সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।