অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ইংল্যান্ডকে ১০০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারতের যুব দল। ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে একতরফা ম্যাচ জিতে শিরোপা ঘরে তোলে ভারত।
হারারে ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুস মাত্রে। তবে দলের শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি। মাত্র ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার অ্যারন জর্জ। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক মাত্রেকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী। দুজন মিলে মাত্র ৯০ বলে গড়ে তোলেন ১৪০ রানের জুটি। ৫৩ রান করে আউট হন মাত্রে।
এরপর ভেদেন্ত ক্রিভেদীর সঙ্গে জুটি বেঁধে আরও বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন বৈভব। মাত্র ৩৯ বলে ৮৯ রানের জুটি গড়ে ভারতকে দ্রুত বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে দেন তারা। মাত্র ২৫ ওভারেই ২৫০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করে ভারত।
বৈভব সূর্যবংশী মাত্র ৫৫ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করে যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন। শেষ পর্যন্ত ৮০ বলে ১৭৫ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন তিনি, যেখানে ছিল ১৫টি চার ও ১৫টি ছক্কা। দলের হয়ে ভেদেন্ত ৩২, ভিয়ান ৩০, অভিজ্ঞান ৪০, এব্রিস ১৮, চৌহান ৩৭, খিলান ৩, হেনিল ৫ এবং দিপেশ শূন্য রান করেন। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ৪১১ রান তোলে ভারত।
ইংল্যান্ডের হয়ে জেমস মিন্টো সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন। এছাড়া সেবিস্টেইন মরগান ও অ্যালেক্স গ্রিন দুটি করে উইকেট শিকার করেন। একটি উইকেট নেন ম্যানি লুমসডেন।
৪১২ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই দ্রুত রান তুলতে থাকে ইংল্যান্ড। তবে রানের গতি ধরে রাখতে পারলেও নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকায় ম্যাচ থেকে ধীরে ধীরে ছিটকে পড়ে তারা। শেষ পর্যন্ত ৩১১ রানে অলআউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
ইংল্যান্ডের হয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন ক্যালেব ফেলকোনের। মাত্র ৭০ বলে ১২০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। ওপেনার বেন ডাওকিনস ৫৬ বলে ৬৬ রান করেন। এছাড়া বেন মেয়ার্স ৪৫, থমাস রে ৩১ এবং হেমস মিন্টো ২৮ রান করেন। অন্য ব্যাটাররা দুই অঙ্কের রান তুলতে ব্যর্থ হন।
ভারতের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন আরএস এব্রিস, তিনি তিনটি উইকেট নেন। দিপেশ ও চৌহান দুটি করে উইকেট শিকার করেন। এছাড়া আরও দুই বোলার একটি করে উইকেট পান।
শু/সবা
























